Saturday, November 9, 2019

উস্কানি মূলক খবর প্রচার করে সরাসরি দাঙ্গা করাতে চাইছে আনন্দবাজার।




দেশের শত্রু আনন্দবাজার এই কথা আজ নতুন কিছু নয়। অযোধ্যা মামলা রায় রেরোড়োর পর ক্রমাগত উস্কানিমূলক খবর প্রচার করে দেশে দাঙ্গা লাগাতে চাইছে আনন্দবাজার। তাদের ফেসবুক পোস্ট গুলি যখন ভাইরাল হচ্ছেনা তখন টাকা দিয়ে ফেস বুক ad এর মাধ্যমে সে সব উস্কানিমূলক খবর সারা ফেসবুক জুরে প্রচার করছে। আপনাদের কাছে অনুরোধ রকম কোন এড বা পোস্ট দেখলে রিপোর্ট করুন ও পুলিশের সাথে যোগাযোগ করুন।

Sunday, November 3, 2019

আর্বান নক্সাল মাওবাদী ও জামাত পন্থীদের নতুন ঠিকানা বাংলাপক্ষ।



বাংলাপক্ষ এই বাংলাপক্ষ কতটা বাংলাবাদী বা কতটা বাঙালিদের জন্য আবেগপ্রবণ বা কতটা বাঙালিদের তা সামান্যতম বুদ্ধিমান লোকেরা বুঝে গেছেন। বাঙালিয়ানাকে সামনে রেখে শুধু হিন্দু বিদ্ধেষে পরিপূর্ণ। বাঙালিয়ানার সামান্য আবেগ টুকুও নেই। মুখে যতই বিহারি মারোয়ারী করুক রাগ আসল জায়গায় হিন্দু সংস্কৃতির উপরেই।

এই সংগঠনের কর্নধার গর্গ চ্যাটার্জি না বোধহয় ভুল হয়ে গেল তিনি আবার চট্টপাধ্যায় মানে বাঙাল, জ্যতি বসু ও কবির সুমনের। একনিষ্ঠ ভক্ত। তিনি রামায়ণ ও মহাভারত নিয়ে মহায়ণ বানিয়েছেন যেখানে তিনি তার বাবা মার কাছে পাওয়া শিক্ষার খুব ভালোই ব্যাবহার করছেন। এই মহায়ণে তিনি প্রতিটি ভগবানকে অতিব কুরুচিকর ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। তিনি ধর্ম মানুন বা না মানুন সেটা তার ব্যেক্তিগত ব্যাপার কিন্তু অন্য মানুষের আবেগে এই ভাবে আঘাত করা। কিন্তু ইসলাম ধর্মের প্রতি তিনি খুব উদার তিনি সব প্রায় সময়ই মাওলানাদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের আর্শীবাদ প্রাপ্ত হন।

 তিনি অবাঙালিদের সহ্য করতে পারেন না তাই তাদের ছট পূজতে তার প্রবল কিন্তু লাল দাড়িওয়ালা অবাঙালি পাঠানদের মহরমের তাজিয়াতে তার কোন আপত্তি নেই। কোলকাতায় প্রতিনিয়ত এই এই এক শ্রেনীর অবাঙালী মুসলমানদের জন্য কোলকাতার নিত্য যাত্রীদের জীবন নাজেহাল। মল্লিকপুর থেকে মেটিয়াবুরুজের লোক জনের জীবন যাত্রা নিয়ে তাদের কোন মন্তব্য নেই।

 এখন বামপন্থীদের পালে হাওয়া নেই তাই এখন অতিবামপন্থী সংগঠনের মাওবাদী ও নক্সল গুল তাদের রক্ত পিপাসা মেটানোর জন্য ও বিপ্লব জিবীত রাখতে এখন এই পথ বেছে নিয়েছে। এই কাজে খুব খুশি বাংলাদের জামাত পন্থীরা। বাংলাপক্ষের এন আর সি বিরোধিতায় তারা খুব খুশি এতে তাদের গ্রেটার বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে তারা। এ যেন সেই স্বাধীনতার আগেকার ইতিহাস মনে করিয়ে দেয় যখন শরত বসু, হেমেন রায়রা মহম্মদ আলি জিন্ন ও সরাবোর্দির তালে তাল মিলিয়ে বলেছিল বৃহৎ বাংলা চাই। সুমন চট্টপাধ্যায় কবির সুমন, গর্গ চট্টপাধ্যায় কবে কবির গর্গ হয় দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

Saturday, November 2, 2019

চিন যে স্থানে ভারতের কাছে ঝুকে ছিল সেই স্থানেই মোদি জিংপিংকে স্বাগত জানাবে এইবার।




চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভারত সফর করছেন। শি জিনপিংয়ের এই সফরকে ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে একে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হ’ল প্রধানমন্ত্রী মোদী চীনের রাষ্ট্রপতিকে দক্ষিণ ভারতের একটি ঐতিহাসিক স্থানে স্বাগত জানাবেন। শহরটি তামিলনাড়ুর মহাবালীপুরম। এই স্থানের চীনের সাথে দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী ১১ ও ১২ ই অক্টোবর চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সাথে সাক্ষাত করবেন। এই সময়ে, মহাবালীপুরমেই দুজনের দেখা হবে।

মহাবালীপুরমের দূরত্ব চেন্নাই থেকে 60 কিলোমিটার। এই মহাবলীপুরম পল্লব জাতি নরসিংহ দেব বর্মণ দ্বারা বসানো হয়েছিল। মহাবালীপুরম পল্লব রাজবংশের যশগথের প্রতীক, চীনের সাথেও এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। পল্লব রাজবংশের সাম্রাজ্য চীন অবধি পৌঁছেছিল। পল্লব রাজবংশের এই শক্তির পরিপ্রেক্ষিতে চীন আত্মসমর্পণ করেছিল এবং পল্লব সম্রাট নরসীমন ২ কে দক্ষিণ চীনের রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল।

 চীন আত্মরক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ নিয়েছিল। চীন আশঙ্কা করেছিল যে পল্লব রাজবংশের সেনাবাহিনী চীনের অভ্যন্তরে যে কোনও সময় তার সাম্রাজ্য আক্রমণ করতে পারে।
সে কারণেই চীন পল্লব রাজবংশের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। চীনের রাজা নরসিমহান 2 এর দরবারে একটি প্রতিনিধি পাঠিয়েছিলেন। প্রতিনিধিটির হাতে একটি রেশমী কাপড় ছিল, যার উপরে পল্লব বংশের রাজাকে রাজ্যপাল নিযুক্ত করার কথা ছিল। পল্লব বংশের তৃতীয় রাজপুত্র বোধিধর্ম বৌদ্ধ ভিক্ষু হয়েছিলেন এবং চীনও ভ্রমণ করেছিলেন।

সপ্তম শতাব্দীতে, যখন চীনা ভ্রমণকারী জুয়ানজং এখানে এসেছিলেন তখন মহাবালীপুরম ভারত এবং চীনের মধ্যে একটি শক্তিশালী বাণিজ্য কেন্দ্র হিসাবে বিকশিত হয়েছিল।
এই কারণেই এই স্থানটির গুরুত্ব ভারত ও চীনের জন্য খুব বেশি। ভারত সরকার এই স্থানেই চীনের রাষ্ট্রপতির ও প্রধানমন্ত্রী মোদীর সাক্ষাত করানোর সিধান্ত নিয়েছে। এই সময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন। তবে সভার তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ঘোষণা করা হয়নি। এই বৈঠকটি রাজনৈতিক, কূটনৈতিক সম্পর্ক ও ব্যবসায়ীক দৃষ্টিকোণ থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Friday, November 1, 2019

বাগদাদির মৃত্যুতে আনন্দবাজারে এত শোকের ছায়া কেন?



বাগদাদির মতন একজন কুখ্যাত  টেরোরিস্টের মৃত্যুতে যখন সমস্থ পৃথিবীর মানুষ সস্থির নিঃশ্বাস ফেলছে, সেখানে আমাদের বাংলার তথাকথিত এক নম্বর দৈনিক প্রত্রিকায় পাতায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। হ্যা এখানে আনন্দ বাজার প্রত্রিকার কথাই বলা হচ্ছে। আহা বাগদাদির মৃত্যুতে শোকে গদ গদ হয়ে কান্না জুড়ে দিয়েছে এই পেপার। তবে আনন্দ বাজারের এই টেরোরিস্ট সিমপ্যাথি শুধু আজকের নয় এর আগে যখন কাশ্মীরের টেরোরিস্ট কমরেড বুরহান বানি মরে যায় তখনো ঠিক একই ভাবে নাকে কান্না ধরেছিল আনন্দ বাজার। তার একবছর পর তারা আবার বুরহান বানির জন্মদিন পালন করে।



 যখনই কোন টেরোরিস্ট মারা যায় তখন এই আনন্দ বাজার মানুষের মনে এই টেরোরিস্ট গুল সম্পর্কে সিমপ্যাথি তৈরি করার চেষ্টা করে। যেমন বাগদাদি কত মেধাবি ছাত্র ছিল সে খেলাধূলাতে কত ভাল ছিল, বুরহান বানির বাবা খুবই সরল সাদাসিধা স্কুলের মাস্টার ছিল ইত্যাদি। এই ভাবে সফট ভাবে তারা পরক্ষ ভাবে কি জঙ্গিবাদ কে সর্মথন করছে না। এই ভাবে তার টেরোরিস্ট গুলির  জীবনিকে গৌরবান্বিত করছে।



তবে আনন্দ বাজার এই দৌড়ে এক নয় এর সাথে আছে এইসময়, এই বেলা, ও একচেটিয়া বাম মার্কা কাগজ গুল। ঠিক যেই ভাবে বিদেশি মিডিয়া  বিবিসি একসময় বাঙালি হত্যা করি তিতুমীরকে, ১০ জন সেরা বাঙালির মধ্যে সামিল করেছিল ঠিক সেই ভাবে এই সমস্থ বাংলার পেপার গুল একচেটিয়া ভাবে জঙ্গিবাদকে প্রত্যক্ষ ও পরক্ষ দুই ভাবে সমর্থন করছে কিন্তু বর্তমান রাজ্য সরকার সব কিছু দেখেও পুরো নিঃচুপ।  

পরিবেশ দূষণ থেকে বাচতে বাজি নয় জন্মনিয়ন্ত্রণ করুন।



পরিবেশ দূষণ থেকে বাচতে জন্ম নিয়ন্ত্রণ দরকার এবং তা খুব শীঘ্রই লাগু করা উচিত ভারতের মত দেশে যেখানে এক সম্প্রদায়ের লোকের বার্থ রেট অতিরিক্ত হাই।  ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের হাই বার্থ রেটের জন্য,  ভারতের অনান্য জনগষ্ঠী গুলির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রোগের সঞ্চার হচ্ছে,  মানুষের মধ্যে বাড়ছ চর্ম রোগ। ঘেসা ঘেসি ঘিঞ্জি ও অশাস্থকর পরিবেশের থাকার ফলে বাড়ছে দানা বাধছে বিভিন্ন ধরনের রোগ।



 এই ধরনের মানুষ গুলোর নিম্ন মানের জীবন যাত্রার ফলে যে শিশু গুল জন্ম নিচ্ছে তাদের অধিকাংশই জন্ম থেকেই বিভিন্ন ভাবে অপুষ্টি ও দূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু সরাকার এই ব্যাপারে পুরোপুরি নিরব কারণ তাদের ভোট ব্যাঙ্ক বাচাতে যে ভাবে পরিবেশ দূষন হচ্ছে এবং মানুষের জীবন যাত্রার মান নিম্ন মুখী হচ্ছে এবং এই মুসলমানদের জন্মহার বৃদ্ধির ফলে ভারতের অর্থনৈতিতে যে প্রভাব পড়ছে তাতে ভবিষ্যতে এর নেতি বাচক প্রভাব পড়বে।


 বলিউডের অভিনেতা অভিনেত্রীরা অনেক সময়ই দিপাবলি বাজি ফাটানো নিয়ে সমালোচনা করে থাকে কিন্তু তারা কখনোই মুসলমানদের জনবিস্ফোরণের দেশের যে ক্ষতি হচ্ছে তাতে তারা মুখে কুলুপ আটে।  

Monday, September 30, 2019

আগামীকালই মুকুলের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করছেন তৃণমূলের প্রাক্তন মেয়ের।



 শেষপর্যন্ত দলত্যাগ-ই করছেন সব্যসাচী দত্ত। আগামিকালই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র। ঘনিষ্ঠ সূত্রে পাওয়া খবর, আগামিকাল সকাল ১১টায় বিধাননগরে একটি মিছিলে যোগ দেবেন সব্যসাচী দত্ত। তারপরই তিনি গেরুয়া শিবিরে যোগ দেবেন। মিছিল করে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত থেকে বিজেপির পতাকা গ্রহণ করবেন সব্যসাচী।



দেবীপক্ষের শুরুতেই দল বদলে রাজনৈতিক কেরিয়ারে নিজের নতুন জার্নি শুরু করছেন সব্যসাচী দত্ত।  সব্যসাচী দত্তের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনার শুরু লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই। বিদ্যুভবনে গিয়ে বকেয়া আদায়ের দাবিতে বিদ্যুতকর্মীদের বিক্ষোভকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঘটনা থেকে শুরু। সব্যসাচীর ভূমিকায় চূড়ান্ত ক্ষুূব্ধ শীর্ষ নেতৃত্ব। এরপরই আসে সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের 'লুচি-আলুরদম' পর্ব। সেই ঘটনাকে ঘিরে তুঙ্গে ওঠে সব্যসাচীর দলবদলের জল্পনা।



যদিও তখনকার মতো সব্যসাচীকে 'বুঝিয়েসুঝিয়ে' পরিস্থিতি সামাল দেয় তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু 'ফাটল' জোড়া লাগেনি। ধীরে ধীরে দূরত্ব ক্রমশ বাড়ে। এরপরই বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদে আসীন সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে একযোগে অনাস্থা আনেন কাউন্সিলররা। সেই জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। আদালতে দু'পক্ষের দড়ি টানাটানিতে প্রাথমিকভাবে সবস্যচী দত্ত জিতে গেলেও, তারপরই আসে নাটকীয় মোড়। সব্যসাচী নিজেই বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেন। আর সেইদিন ফের 'ছোট ভাই সব্যসাচীকে দুঃসময়ে পরামর্শ দিতে' পৌঁছে যান 'দাদা' মুকুল রায়।

একের পর এক ঘটনায় সব্যসাচীর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পথে যেন একটা একটা করে ইট পাতা হচ্ছিল। যারমধ্যে নবতম সংযোজন সব্যসাচী দত্তের গণেশ পুজোয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়ের 'উজ্জ্বল' উপস্থিতি। গণেশ পুজোর প্যান্ডেলেও ছিল 'পদ্মের' ছায়া। প্যান্ডেল শীর্ষের নকশা তৈরি হয়েছিল পদ্মের আদলে।

Sunday, September 29, 2019

আজম খানের নোংরামির সময় শেষ। এইবার হতে চলছে আজম খানের ভয়ানক পরিনতি।



যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে UP প্রশাসন আরো একবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সমাজবাদী পার্টির বিতর্কিত নেতা আজম খানের গ্রেফতারি যে কোনো সময় হতে পারে। আজম খান সমাজবাদী পার্টির নেতা হওয়ার সাথে সাথে বর্তমান রামপুর থেকে লোকসভার সাংসদ। আজম খানের উপর এখন গ্রেফতারির তরওয়াল ঝুলতে শুরু হয়েছে। দুর্নীতি, জমির অবৈধ কব্জা করা মামলায় আজম খানের উপর অভিযোগ এসেছে।



আজম খানের উপর অভিযোগ রয়েছে যে, উনি নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমির উপর অবৈধ কব্জা করেছেন। অভিযোগ এই যে, জালি ডকোমেন্টস তৈরি করে আজম খান বহু জমি মৌলানা আলী জহর ইউনিভার্সিটির জন্য কব্জা করেছিল। উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী সরকার ছিল এবং সেই সময় কিছু অফিসারদেরকে নিয়ে জমি জিহাদের ঘটনা ঘটিয়েছিল।


 অবৈধভাবে জমি দখল করার জন্য আজম খানের বিরুদ্ধে আজিম নগর থানায় ক্রিমিনাল কেস দায়ের করেছে। আজম খানের উপর ২৬ জন কৃষক মামলা দায়ের করেছে। কৃষকরা জানিয়েছেন যে সমাজবাদী পার্টির সরকার থাকাকালীন তাদেরকে জোর করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর জালি দস্তাবেজে সাইন করানো হয়েছিল।



 কিছু কৃষক হস্তাক্ষর করতে অস্বীকার করেছিল। তাদেরকে অত্যাচার করে জোর করে জমি কব্জা করে নেওয়া হয়েছিল। সেই সময় রামপুরের সরকারি আধিকারিক আলী হাসানও আজম খানের সাথে মিলে ষড়যন্ত্র করেছিল। এখন আজম খানের বিরুদ্ধে ২৬ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের সরকার রয়েছে। তাই লোকজন আশার আলো দেখছে। পুলিশ মামলার তদন্ত করে আজম খানকে গ্রেফতার করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।