Monday, September 30, 2019

আগামীকালই মুকুলের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করছেন তৃণমূলের প্রাক্তন মেয়ের।



 শেষপর্যন্ত দলত্যাগ-ই করছেন সব্যসাচী দত্ত। আগামিকালই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র। ঘনিষ্ঠ সূত্রে পাওয়া খবর, আগামিকাল সকাল ১১টায় বিধাননগরে একটি মিছিলে যোগ দেবেন সব্যসাচী দত্ত। তারপরই তিনি গেরুয়া শিবিরে যোগ দেবেন। মিছিল করে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত থেকে বিজেপির পতাকা গ্রহণ করবেন সব্যসাচী।



দেবীপক্ষের শুরুতেই দল বদলে রাজনৈতিক কেরিয়ারে নিজের নতুন জার্নি শুরু করছেন সব্যসাচী দত্ত।  সব্যসাচী দত্তের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনার শুরু লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই। বিদ্যুভবনে গিয়ে বকেয়া আদায়ের দাবিতে বিদ্যুতকর্মীদের বিক্ষোভকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঘটনা থেকে শুরু। সব্যসাচীর ভূমিকায় চূড়ান্ত ক্ষুূব্ধ শীর্ষ নেতৃত্ব। এরপরই আসে সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের 'লুচি-আলুরদম' পর্ব। সেই ঘটনাকে ঘিরে তুঙ্গে ওঠে সব্যসাচীর দলবদলের জল্পনা।



যদিও তখনকার মতো সব্যসাচীকে 'বুঝিয়েসুঝিয়ে' পরিস্থিতি সামাল দেয় তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু 'ফাটল' জোড়া লাগেনি। ধীরে ধীরে দূরত্ব ক্রমশ বাড়ে। এরপরই বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদে আসীন সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে একযোগে অনাস্থা আনেন কাউন্সিলররা। সেই জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। আদালতে দু'পক্ষের দড়ি টানাটানিতে প্রাথমিকভাবে সবস্যচী দত্ত জিতে গেলেও, তারপরই আসে নাটকীয় মোড়। সব্যসাচী নিজেই বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেন। আর সেইদিন ফের 'ছোট ভাই সব্যসাচীকে দুঃসময়ে পরামর্শ দিতে' পৌঁছে যান 'দাদা' মুকুল রায়।

একের পর এক ঘটনায় সব্যসাচীর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পথে যেন একটা একটা করে ইট পাতা হচ্ছিল। যারমধ্যে নবতম সংযোজন সব্যসাচী দত্তের গণেশ পুজোয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়ের 'উজ্জ্বল' উপস্থিতি। গণেশ পুজোর প্যান্ডেলেও ছিল 'পদ্মের' ছায়া। প্যান্ডেল শীর্ষের নকশা তৈরি হয়েছিল পদ্মের আদলে।

Sunday, September 29, 2019

আজম খানের নোংরামির সময় শেষ। এইবার হতে চলছে আজম খানের ভয়ানক পরিনতি।



যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে UP প্রশাসন আরো একবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সমাজবাদী পার্টির বিতর্কিত নেতা আজম খানের গ্রেফতারি যে কোনো সময় হতে পারে। আজম খান সমাজবাদী পার্টির নেতা হওয়ার সাথে সাথে বর্তমান রামপুর থেকে লোকসভার সাংসদ। আজম খানের উপর এখন গ্রেফতারির তরওয়াল ঝুলতে শুরু হয়েছে। দুর্নীতি, জমির অবৈধ কব্জা করা মামলায় আজম খানের উপর অভিযোগ এসেছে।



আজম খানের উপর অভিযোগ রয়েছে যে, উনি নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমির উপর অবৈধ কব্জা করেছেন। অভিযোগ এই যে, জালি ডকোমেন্টস তৈরি করে আজম খান বহু জমি মৌলানা আলী জহর ইউনিভার্সিটির জন্য কব্জা করেছিল। উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী সরকার ছিল এবং সেই সময় কিছু অফিসারদেরকে নিয়ে জমি জিহাদের ঘটনা ঘটিয়েছিল।



 অবৈধভাবে জমি দখল করার জন্য আজম খানের বিরুদ্ধে আজিম নগর থানায় ক্রিমিনাল কেস দায়ের করেছে। আজম খানের উপর ২৬ জন কৃষক মামলা দায়ের করেছে। কৃষকরা জানিয়েছেন যে সমাজবাদী পার্টির সরকার থাকাকালীন তাদেরকে জোর করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর জালি দস্তাবেজে সাইন করানো হয়েছিল।



 কিছু কৃষক হস্তাক্ষর করতে অস্বীকার করেছিল। তাদেরকে অত্যাচার করে জোর করে জমি কব্জা করে নেওয়া হয়েছিল। সেই সময় রামপুরের সরকারি আধিকারিক আলী হাসানও আজম খানের সাথে মিলে ষড়যন্ত্র করেছিল। এখন আজম খানের বিরুদ্ধে ২৬ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের সরকার রয়েছে। তাই লোকজন আশার আলো দেখছে। পুলিশ মামলার তদন্ত করে আজম খানকে গ্রেফতার করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।   

Saturday, September 28, 2019

অবশেষে রাজীব কুমারকে পাওয়া গেল দেখুন কোথায়।



অবশেষে পাওয়া গেল রাজীব কুমারকে। হ্যা অবাক এই কথাটি কথাটি শুনে এমনই মজার নিউজ ভেসে বাড়াচ্ছে সোস্যাল মিডিয়াতে এবং অনেক ফেসবুক পেজে। আসলে অনেক খোজা খুজির সত্ত্বেও পাওয়া যায় রাজীব কুমার তাই নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে ভেসে আসছে নানা বক্তব্য অনেকে বলছেন রাজীব কুমার কি আকাশে উড়ে গেল না মাটিতে চাপা পড়ল। তারই মধ্যে কেউ কউ মজা করে লিখেছে পাওয়া গিয়েছে রাজীব কুমারকে অবশ্য তা আমাদের ক্লাস ফোরের জেনারেল নলেজের বইতে।



প্রসঙ্গত স্মরণ করিয়ে দি, রাজীব কুমারকে সিবিআই যখন প্রথম জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েছিল তখন কলকাতায় নাটকীয় ঘটনা ঘটেছিল। কলকাতা পুলিশ CBI টিমকে বাধা প্রদান করেছিল এবং জোর করে গাড়িতে তুলে রাজীবের বাড়ির সামনে থেকে অন্যত্র করেছিল। এক প্রকার দাদাগিরি করা হয়েছিল CBI আধিকারিকদের সাথে। শুধু এই নয় সিজিও কমপ্লেক্স থেকে যাতে CBI এর টিম বেরোতে না পারে তাই পুলিশ সিজিও কমপ্লেক্সকে পুলিশ দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল। এরপর কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ জওয়ান নামিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সকে মুক্ত করতে হয়েছিল।



এরপর আবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী CBI তদন্তের বিরোধিতা করে ধর্ণায় বসে পড়েছিলেন। সেই সময় সিবিআই এর কাজে বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গে মমতা ব্যানার্জীকে অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তবে যাইহোক এখন সিবিআই এর কাছে আদালতের পুরো নির্দেশ আছে এবং CBI টিম নেমে পড়েছে রাজীব কুমারকে খুঁজে বের করার জন্য। কিছুদিন আগে যেভাবে পি চিদাম্বরমকে বের করেছিল ঠিক সেইভাবে এখন রাজীব কুমারের খোঁজ চলছে।  

Friday, September 27, 2019

যারা ভগত সিং এর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিল তারা কারা ছিল এবং পরে তাদের কি হয়েছিল।



সরদার ভগত সিং।  ভারতমাতার সেই সাহসী পুত্র যিনি যুদ্ধের পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং ইংরেজদের দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য চরকা চালানোর পরিবর্তে হাসি হাসি ফাসির ফাঁদে চুমু খেয়েছিলেন। সেই অমর বলিদানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দাতাদের আপনি কি জানেন? ভগত সিংয়ের বিরুদ্ধে যারা সাক্ষ্য দিয়েছিল তাদের কি হয়েছিল জানেন? বেশিরভাগ লোকেরা হয়ত এ সম্পর্কে জানেন না, তবে আপনি যখন এটি জানবেন তখন আপনার শিখা জ্বলে উঠবে।

 ভগত সিংয়ের বিরুদ্ধে যখন দিল্লির একটি ব্রিটিশ আদালতে একটি সমাবেশে বোমা নিক্ষেপের অভিযোগ করা হয়েছিল। তখন শোভা সিং এবং  অন্যটি শাদি লাল ভগত সিং এবং বাতুকেশ্বর দত্তের বিরুদ্ধে  সাক্ষ্য দিয়েছিল। শুনে আপনি অবাক হয়ে যাবেন যে শোভা ও শাদী লাল দেশ থেকে এই বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তির জন্য পুরষ্কার পেয়েছিলেন। উভয়কেই স্যারের উপাধি দেওয়া হয় এবং  অন্যান্য ধরণের সুবিধাও পেয়েছিলেন।



 দিল্লিতে শোভা সিংহ অগাধ সম্পদ এবং কোটি কোটি টাকার সরকারি নির্মাণ কাজের চুক্তি পেয়েছিলেন। আজ দিল্লির কানাট প্লেসে অবস্থিত স্যার শোভা সিং স্কুলে কাতারের পরে কাতার লাইন দিয়েও শিশুরা ভর্তি হতে় পারে না। একই সময়ে, শাদি লালকে বাগপাটের নিকটে প্রচুর সম্পত্তি দেওয়া হয়েছিল।



আজও শাদী লালের বংশধরদের একটি চিনির কল এবং শ্যামলীতে বেশ কয়েকটি মদের কারখানা রয়েছে। শাদি লাল এবং শোভা সিং আগেও দেশের মানুষের চোখে ঘৃণীত ছিলেন এবং আজও রয়েছেন।  শাদি লালের  লোকেরা গ্রামবাসীদের  দ্বারা তুচ্ছ হয়েছিল এবং তার মৃত্যুর পরে কোনও দোকানদার তাঁর দোকান থেকে তাকে কাফনের কাপড়ও দেয়নি। শাদী লাল ছেলেরা তাঁর শ্মশানের সময় দিল্লি থেকে কাফান কিনেছিল। তবে শোভা সিং এই ক্ষেত্রে ভাগ্যবান। তিনি এবং তাঁর বাবা সুজন সিংহ রাজধানী দিল্লিসহ দেশের অনেক জায়গায় হাজার হাজার একর জমি পেয়েছিলেন এবং প্রচুর অর্থও পেয়েছিলেন।

 পাঞ্জাবের সুজন সিংহের গ্রাম এবং দিল্লির সুজন সিং পার্কের নামও তাঁর নামে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে শোভার পুত্র খুশবন্ত সিং সাংবাদিক হিসাবে শৌখিন হয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেছিলেন এবং বড় বড় সেলিব্রিটিদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন শুরু করেছিলেন। এর বাইরে শোভা সিংহের নামে একটি দাতব্য ট্রাস্টও অবস্থিত। দিল্লির কানাট প্লেসের কাছে বড়খম্বা রোডের মডার্ন স্কুল নামে পরিচিত স্কুলটি শোভা সিংয়ের জমিতে নির্মিত এবং শোভা সিং স্কুল নামেও পরিচিত ছিল। একই সময়ে, খুশবন্ত সিং তার পরিচিতিগুলি ব্যবহার করে তার পিতাকে দেশপ্রেমিক এবং দূরদর্শী নির্মাতা হিসাবে প্রমাণ করার জন্য তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন।  

হিন্দু মেয়েদের ইসলাম কবুল করানো আমার একমাত্র মিশন বললেন এই মৌলবী।




পাকিস্তানে হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরকরণ তথা জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নিত্য ঘটনা। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে হিন্দু মেয়েদের অপহরণ করা হয় এবং বলপূর্বক  ধর্মান্তর করানোর পর তাদের মুসলিমদের সাথে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। ১১থেকে ১৬ বছর বয়সী হিন্দু মেয়েরা এটির সবথেকে বেশি শিকার হয়। ইতিমধ্যে সিন্ধু প্রদেশের এক মৌলবী হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরিত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন এবং এ নিয়ে বড় বক্তব্য দিয়েছেন।

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, মৌলভী আবদুল খালিক স্বীকার করেছেন যে তিনি হিন্দু মেয়েদেরকে মুসলমান বানানোর একটি মিশন চালাচ্ছেন। হিন্দু মেয়েদের ইসলাম কবুল করানো আমার মিশন: ইমরান খানের ঘনিষ্ট মৌলবী। পকিস্তানে হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরকরণ তথা জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নিত্য ঘটনা। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে হিন্দু মেয়েদের অপহরণ করা হয় এবং বলপূর্বক ধর্মান্তর করানোর পর তাদের মুসলিমদের সাথে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। ১১থেকে ১৬ বছর বয়সী হিন্দু মেয়েরা এটির সবথেকে বেশি শিকার হয়।



ইতিমধ্যে সিন্ধু প্রদেশের এক মৌলবী হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরিত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন এবং এ নিয়ে বড় বক্তব্য দিয়েছেন। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, মৌলভী আবদুল খালিক স্বীকার করেছেন যে তিনি হিন্দু মেয়েদেরকে মুসলমান বানানোর একটি মিশন চালাচ্ছেন। মৌলবী আবদুল বলেন যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই কাজটি করে চলেছেন এবং আগামী দিনেও এই কাজটি চালিয়ে যাবেন। তিনি আরও জানান যে তার ৯জন সন্তান রয়েছে এবং তারা প্রত্যেকে ধর্ম পরিবর্তনের এই মিশনকে অনুসরণ করে কাজ করবে। মৌলবী বলেন যেমন আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের অনুসরণ করে এই কাজ করছি, আমার পরবর্তী প্রজন্মও সেই কাজ করবে। এ ছাড়া মৌলভী আবদুল খালিক মিথা আরও বলেন যে তিনি দরগায় হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরের ব্যবস্থা করেছেন।



প্রতিবেদন অনুসারে, ধর্ম রূপান্তরের বৃহত্তম আড্ডা হলো ধরকি শহরের ভরচণ্ডি দরগাহ এই প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের খুবই ঘনিষ্ট আবদুল খালিক মিথা চালান। সূত্র অনুসারে জানা গেছে যে, গত নয় বছরে এই দরগায় ৪৫০ টি হিন্দু মেয়ের ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। মৌলভী আবদুল খালিক মিথা জানান যে মেয়েদের তাদের বাড়ি থেকে দরগায় আনতে তিনি কোনও দল প্রেরণ করেন না, মেয়েরা স্বইচ্ছায় আসেন বলে তার দাবি। আর এই কারণেই আমি তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করি।

আমার পূর্বপুরুষরা হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করে ইসলামের সেবা করেছেন আর আমিও এই মিশনে আছি। যদিও সব ক্ষেত্রে হিন্দু মেয়েদের অপহরণ এর ঘটনা সামনে এসেছে। সাথেই, মৌলভী হিন্দুস্তানি মেয়েকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ৭৮ বছর বয়সী মেথা জানান যে তাঁর স্ত্রী মারা গেছেন, তাই তাঁর অনুগামীরা চান যে তিনি যাতে আরও একটি বিয়ে করেন এবং বিয়েটা যেন হিন্দুস্তানী মেয়ের সাথে হয়। পাকিস্তানকে অমুসলিম মুক্ত করার একটা বড়ো দায়িত্ব আবদুল খালিক এর ওপরে রয়েছে। আর আব্দুল খালিক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর খুবই ঘনিষ্ঠ তাই প্রশাসনিক মামলা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

Thursday, September 26, 2019

ভারতের এন আর সি নিয়েও মাথাব্যথা পাকিস্তানের। এন আর সি নিয়ে উস্কানিমূলক টুইট ইমরানের।



ফের ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে নাক গলালেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আজ অসমে প্রকাশিত হয় নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা। সেখানে নাম নেই ১৯ লক্ষের বেশি মানুষের। তবে, তাঁদের এখনই ‘বিদেশি’ ঘোষণা করা হচ্ছে না। নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য সরকারের তরফে সব রকমের সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।



এনআরসি নিয়ে আজ উস্কানিমূলক টুইট করেন ইমরান খান। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের অভিযোগ, ভারত এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে খবর আসছে মোদী সরকার কীভাবে মুসলিম সম্প্রদায়কে জাতিগতভাবে নিমূল করতে চাইছে। ফের আন্তজার্তিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন ইমরান। গোটা বিশ্বের কাছে অশনি সংকেতের ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে। মুসলিমদের লক্ষ্য করেই কাশ্মীরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার।



 উল্লেখ্য, কাশ্মীর নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তান দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করলেও কোনও ফল হয়নি। ইসলামাবাদের অনুরোধেই নজিরবিহীনভাবে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয় রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে। কিন্তু চিন ছাড়া সে ভাবে কাউকে পাশে পায়নি পাকিস্তান। রাশিয়া, ব্রিটেন, আমেরিকা এবং ফ্রান্স স্পষ্টতই জানিয়েছে, কাশ্মীর সমস্যা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়।



এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে রাজি নয় তারা। কূটনৈতিকভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে পাকিস্তান। এরপর যেনতেন প্রকারে কাশ্মীরে হিংসার বাতাবরণ তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছে ইমরানের প্রশাসন। আজকের এই টুইট আরও একবার তা প্রমাণ করল। 

Wednesday, September 25, 2019

আমেরিকাতেও মোদিকে ঘিরে প্রবাসী ভারতীয়দের শ্লোগান রাম লাল্লা হাম আয়েঙ্গে মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে।



আমেরিকার হিউস্টন শহরে হাউডি মোদী (Howdy Modi) অনুষ্ঠানেও রাম মন্দির এর আওয়াজ উঠলো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া মানুষেরা বারবার ‘রাম লালা হাম আয়েঙ্গে, মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে” স্লোগান তুলল। অনুষ্ঠান শুরু হতেই, উপস্থিত মানুষেরা নিজেদের দুই হাত উপরে তুলে রাম মন্দিরের সমর্থনে স্লোগান দিতে থাকেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, অযোধ্যা মামলা এখনো সুপ্রিম কোর্টে চলছে।

 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমেরিকার রাষ্ট্রপতির সাথে হিউস্টনে পৌঁছান। স্টেডিয়ামে প্রথমবার নরেন্দ্র মোদীকে দেখে খুশির জোয়ার বয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মঞ্চে পৌঁছালেই উপস্থিত মানুষেরা দাঁড়িয়ে ওনাকে হাততালি এবং ‘মোদী … মোদী… মোদী” স্লোগান দিয়ে অভ্যর্থনা জানায়। মঞ্চে উঠে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হাত জোড় করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে নমস্কার জানান। সেই সময় মোদী নামে ভরে ওঠে গোটা স্টেডিয়াম।

 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে ৫০,০০০ ভারতীয় আমেরিকান সম্প্রদায়কে উদেশ্য করে ভাষণ দেন। হিউস্টন শহরটির দিকে তাকালে আজ মনে হচ্ছে যেন সেখানে বিশাল কোনো উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। হিউস্টন শহরের সর্বত্র যে দিকে দেখবেন, লোকজন একই দিকে যেতে দেখা যায় এবং এই দিকটি শহরের এনআরজি (NRG) স্টেডিয়ামের দিকে যায়।

 হিউস্টন শহরের রাস্তাগুলি এমন হয়ে উঠেছে যে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সারি জ্যামে পরিণত হয়েছে। তা সত্ত্বেও, মানুষ হাউডি মোদী প্রোগ্রামে অংশ নিতে এতটাই মগ্ন হয়ে পড়ে যে তারা স্টেডিয়াম থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে তাদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে পায়ে হেঁটে যেতে হয়েছিল। আমেরিকার কোনও শহরে সম্ভবত এটিই প্রথম হবে, যখন এত বড় আমেরিকান জনগোষ্ঠী কোনও শহরে একত্রিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই যে আজকের রাতেই হিউস্টনের  শুরু হতে চলেছে ভারতীয়দের সবচেয়ে বড় শো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও আজকের এই অনুষ্ঠানের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন।