Saturday, August 31, 2019

দিলিপকে কার্যত এরিয়ে দিল্লি পারি দিলেন শোভন ও বৈশাখী।



 রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে মতান্তরের মধ্যেই দিল্লিতে উড়ে গেলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জগতপ্রসাদ নাড্ডার সঙ্গে দেখা করবেন বলে খবর। বিজেপির জাতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেন,'ছেড়ে দেওয়ার জন্য কাউকে দলে নেওয়া হয় না।'

 শোভন-বৈশাখী যোগদানের পর থেকে একের পর এক ঘটনায় বিব্রত রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। এক বিজেপি নেতার বক্তব্য, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে 'বিরাটমাপের নেত্রী' ভেবে ফেলেছেন, আর তাঁকে ছাড়া এক পাও ফেলতে নারাজ শোভন চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির মতো অনুশাসন মেনে চলা দলে যা বিড়ম্বনার কারণ হয়ে উঠেছে। দেবশ্রীকে নেওয়া যাবে না, এহেন আবদার দিয়ে শুরু হয়েছিল নাটক। আর এখন নিজেকে শোভনের সমকক্ষ ভাবতে শুরু করে দিয়েছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শোভন চট্টোপাধ্যায়কে বড় দায়িত্ব দিতে চাইছে বিজেপি। সমমর্যাদার পদ চাইছেন বৈশাখীও। কিন্তু বৈশাখীকে পদ দিতে নারাজ দিলীপ ঘোষরা। এহেন পরিস্থিতিতে বেঁকে বসেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র কাছে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। আর রাজ্য নেতৃত্বকে কার্যত এড়িয়ে পাড়ি দিয়েছেন দিল্লিতে। সেখানে সর্বভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন শোভন-বৈশাখী। কথা হবে বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও।  শোভন-বৈশাখীকে নিয়ে বেজায় চাপে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। তাঁরা ইস্তফা দিলে আরও একবার মুখ পুড়বে। বিজেপির জাতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহার সাফাই, এক জায়গা থেকে আর জায়গা গেলে খাপ খাওয়াতে সময় লাগে। অধৈর্য হওয়ার কারণ নেই। সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কাউকে বিজেপি কখনও অনাদার করেনি। অনাদার করার প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, রাজ্য নেতৃত্বকে এড়িয়ে সর্বভারতীয় নেতাদের সঙ্গে কেন বৈঠক করছেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়? শোভন চট্টোপাধ্যায় কলকাতার প্রাক্তন মেয়র। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন। কিন্তু বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক পরিচয় কী?

কারোর আপত্তি মানা হবে না, দেবশ্রী প্রসঙ্গে দিলিপ।



দেবশ্রী রায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়ে শোভন বা বৈশাখীর আপত্তি মানা হবে না, তা স্পষ্ট করে দিলেন দিলীপ ঘোষ। জানালেন, বিজেপিতে যোগদানের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল বিধায়ক। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।  দেবশ্রী রায়ের যোগদানে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের আপত্তি রয়েছে বলে খবর।

 সে কারণে তৃণমূল বিধায়কের আর বিজেপিতে যোগদান করে হয়ে ওঠা হয়নি। তবে কারও আপত্তি মানা হবে না বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। বলেন,'ভারতীয় জনতা পার্টিতে নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। চিন্তাভাবনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কারও সঙ্গে ব্যক্তিগত মনোমালিন্য থাকতেই পারে। তবে দলের সিদ্ধান্ত সকলকে মানতে হবে।' কবে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়ক? বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, 'দেবশ্রী রায়ের সঙ্গে যোগদানের ব্যাপারে কথা হয়নি। তবে উনি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এখনও চূড়ান্ত হয়নি।' 

 শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগদানের দিনই দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে হাজির হয়েছিলেন দেবশ্রী রায়। তবে দেবশ্রীর যোগদানে আপত্তি তুলেছিলেন শোভন-বৈশাখী। সে যাত্রায় আর গেরুয়া শিবিরে যোগদান করা হয়নি দেবশ্রীর। তবে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন রায়দিঘির তৃণমূল বিধায়ক। বুধবার রাত ১০টায় সল্টলেকে দিলীপ ঘোষের বাড়িতে হাজির হন দেবশ্রী। কিন্তু তখন বাড়িতে ছিলেন না দিলীপ। অগত্যা ফিরে যান দেবশ্রী রায়। প্রসঙ্গত, একদা শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন দেবশ্রী রায়। তাঁর কেন্দ্রের দেখভালও করতেন। কিন্তু পরবর্তীকালে দু'জনের মধ্যে তৈরি হয় দূরত্ব।               

আগামী চার বছরে সমরাস্ত্রে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে ভারত।




সমরাস্ত্রে দেশকে সমৃদ্ধ করতে কোনও কসুর করছে না নরেন্দ্র মোদী সরকার। আগামী চার বছরে সমরাস্ত্রে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে ভারত। রাশিয়া থেকে আসতে চলেছে ভয়ঙ্করতম মারণাস্ত্র। তার জন্য অগ্রিম টাকা দেওয়াও হয়ে গিয়েছে ভারতের। ঘাড়ের কাছে শ্বাস ফেলছে পাকিস্তান। প্রতিদিনই হুঁশিয়ারি লেগেই আছে। কাশ্মীর সিদ্ধান্তের পর তো রীতিমতো পরমাণু হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তান।

যদিও এতে ভারতের ভয়ের কিছু নেই। কারণ ভারতের অস্ত্রভাণ্ডারে রয়েছে ভয়ঙ্কর এবং দুর্ঘর্ষ সব মারণাস্ত্র। আগামী চার বছরে আরও মারণ অস্ত্রে ভরে উঠবে অস্ত্রভান্ডার। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে মোদী সরকার। ২০২৩ সালেই রাশিয়া থেকে ভারতে আসতে চলেছে এস-৪০০ ট্রিম্ফ মিসাইল। তার জন্য অগ্রিম টাকাও রাশিয়াকে দিয়ে রেখেছে দিল্লি।

 মস্কো থেকে সেই চুক্তির কথা জানানো হয়েছে। ভয়ঙ্কর তম এই ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়া তৈরি করেছে দূরের লক্ষ্যভেদ করার জন্য। ভূমি থেকে আকাশ এই ট্রিম্ফ ক্ষেপণাস্ত্র ৬০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। আকাশের ৩০ কিলোমিটার উচ্চতায় যেকোনও লক্ষ্যবস্তুকে টার্গেট করতে পারে সেটি। যদিও আমেরিকা দাবি করেছে এর থেকে তাঁদের কাছে আরও মারণ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। রাশিয়ার এস-৪০০ তেমন শক্তিশালী ও দক্ষ নয়। একদিকে অস্ত্রভান্ডার সমৃদ্ধ হচ্ছে আরেকদিকে কমছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তহবিল। প্রবল আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে চলেছে দেশ। এই পরিস্থিতিকে কেবলমাত্র মেরুকরণে রাজনীতিকে বাঁচিয়ে রাখতে জাতিয়তাবাদের তাস খেলে চলেছে বিজেপি সরকার। এই নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। দেশের দরিদ্র নির্মুল করার যে দাবি জানিয়েছিলেন মোদী সরকার। সেই দাবি কী তাহলে কেবল প্রতিশ্রুতি।  

এখন অবধি দিদিকে বল তে অংশগ্রহণ গ্রহণ করেছে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ।




আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে দলের হারানো জমি ফিরে পেতে তত্পর তৃণমূল। আর সেই লক্ষ্যেই শুরু হয়েছে 'দিদিকে বলো'। আজ সেই দিদিকে বলো কর্মসূচির এক মাস। এক মাসে কতটা সফল এই উদ্যোগ? কতজন মানুষ উপকৃত হলেন? প্রশংসাই বা করলেন কতজন? বৃহস্পতিবার সামনে এল তারই রিপোর্ট কার্ড। টুইট করেও দিদিকে বলোর কর্মসূচির পরিসংখ্যানও তুলে ধরলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 প্রেস নোটের মাধ্যমে 'দিদিকে বলো'র রিপোর্ট কার্ড পেশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই রিপোর্ট কার্ড অনুযায়ী এক মাসে সারা রাজ্য থেকে ১০ লক্ষ ৩৫০ জনেরও বেশি 'দিদিকে বলো'তে যোগাযোগ করেছেন। এনারা প্রত্যেকেই 'মুখ্যমন্ত্রীর দফতর'-এর সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগাযোগ করেছেন। কেউ তুলে ধরেছেন সমস্যার কথা, কেউ আবার প্রশংসাও করেছেন তৃণমূলের উদ্যোগের। তৃণমূল সরকারে কাজে খুশি তাঁরা। আবার সরকার ও দলের জন্য নিজেদের পরামর্শও দিয়েছেন অনেকে।

 তৃণমূলের দাবি, মোট ৮ লক্ষ ৬৩৫ জন ব্যক্তি ফোন করে 'দিদিতে বলো'তে যোগাযোগ করেছেন। 'দিদিকে বলো'র ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছেন প্রায় ২ লক্ষ মানুষ।  যোগাযোগের হেতু কী ছিল? তার পরিসংখ্যানও সামনে নিয়ে এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৪২ শতাংশ মানুষ ফোন বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা মেটাতে চেয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিনব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রশংসা করে ফোন করেছেন ২২শতাংশ মানুষ। ৩২শতাংশ মানুষ তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেছেন 'মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের' কাছে। এছাড়াও বিবিধ ইস্যুতে যোগাযোগ করেছেন ৪শতাংশ মানুষ।  

সব ধরনের তদন্তের জন্য প্রস্তুত বলল মুকুল।



 বিমানবন্দরে নেমেই একথা জানিয়ে দিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বুধবার নারদাকাণ্ডে দিল্লিতে সিবিআইয়ের মুখোমুখি হন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়। তিনি প্রায় ঘণ্টা খানেক সিবিআইয়ের দফতরে ছিলেন বলে জানা যায়। বৃহস্পতিবার প্রত্যয়ী সুরে মুকুল রায় জানান, জেরায় টানা আট ঘন্টা সিবিআইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে তদন্ত চলছে। সব ধরনের তদন্তে মুখোমুখি হতে তিনি প্রস্তুত। মুকুল রায় এদিন অভিযোগ করেন, তাঁকে ভুয়ো মামলা দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। এটা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ৩০টা মামলা করা হয়েছে। তবে বিচার ব্যবস্থার উপরও তাঁর বিশ্বাস রয়েছে বলে জানান মুকুল রায়। দেবশ্রী রায়ের বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে মুকুল রায় বলেন, “এ ব্যাপারে দিলীপদাই শেষ কথা। উনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি। যে কোনও মানুষ যেতেই পারেন।” তাঁর কথায়, এটার মধ্যে অন্য কোন গল্প খোঁজা ঠিক নয়। প্রসঙ্গত, বুধবার নারদাকাণ্ডে বুধবার নারদাকর্তা ম্যাথু স্যামুয়েল ও কেডি সিংকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করে সিবিআই। জেরার শেষ পর্বে সিবিআই দফতরে হাজির হন মুকুল রায়। ঘণ্টাখানেকের বেশি সময় ছিলেন বিজেপি নেতা। তাঁকে নারদাকাণ্ডে  জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে খবর।   

আজ এন আর সিয়ের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ।




আজই এনআরসি বা ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেন এর চূড়ান্ত তালিকা ঘোষিত হতে চলেছে অসমে। আর তার আগে থেকেই কার্যত থমথমে পরিস্থিতি উত্তরপূর্ব ভারতেরর এই রাজ্যে। গোটা অসম জুড়ে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। প্রশাসনিক মহলের তরফে গোটা রাজ্য জুড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও শান্তি স্থাপনের আর্জি জানানো হয়েছে। এদিকে অসম এখন থমথমে।

গোটা অসম জুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে একাধিক প্রশ্ন। এরইমধ্যে সূত্রের খবর, অসমে চার মিলিয়ন মানুষকে রাখা হয়েছে এনআরসির তালিকার বাইরে। প্রসঙ্গত, এনআরসি চালু নিয়ে এর আগে একাধিক বিতর্ক, হিংসা, অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে অসমে। তালিকা থেকে বাদ যাওয়া নাম ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তুঙ্গে উঠেছিল। এরকম এক পরিস্থিতিতে বহু মামলা পৌঁছে যায় সুপ্রিমকোর্টে।

 উল্লেখ্য, দেশের মধ্যে প্রথমবার এনআরসি লাগু হয়েছে অসমে। এর আগে ১৯৫১ সালে এনআরসির তালিকা আপডেট হয়। এরপর ২০১৯ এর এই চূড়ান্ত তালিকায় কী থাকে তা নিয়ে রয়েছে কৌতূহল। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকেই এই এনআরসির চরম বিরোধীতা করে এসেছেন। এনআরসি নিয়ে বহু বিজেপি বিরোধী নেতাও মুখ খুলেছেন। এমন পরিস্থিতিতে আজ ঘটনাচক্র কোনদিকে এগিয়ে যায় তা নজরে রয়েছে সমস্ত মহলের।  

আমার বিরুদ্ধ মত কে ও স্বাগত জানাই।



প্রত্যেকের মতামত শোনা উচিত। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী কেরলে একটি বেসরকারি সংবাদ সংস্থার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয় এমন কথাই জানিয়েছেন। কেরলে বিজেপির ততটা রমরমা নেই। মোদী বলেছেন, আমি এখানে এমন একটা ফোরামে এসেছি যেখানে আমার মতের সঙ্গে সংখ্যাধিক্যের মতের মিল নেই।

তবে আপনাদের সংগঠিত সমালোচনা আমি গ্রহণ করি। এদিন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ভাবনার মানুষের মতামত প্রদানের ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর কথায়, দেশ এখন বদলাচ্ছে। নতুন নতুন অনুপ্রেরণা তৈরি হচ্ছে। বহু মানুষ নিজেদের অনেক ওপরে নিয়ে গিয়েছেন। ছোট গ্রাম, শহর থেকে বেরিয়ে অনেকে বিশ্বজয় করেছেন। ফলে শীর্ষে পৌঁছতে প্রয়োজন অধ্যবসায় ও অনুপ্রেরণা। এমনটাই মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী।  

Friday, August 30, 2019

কিংস্টনে ইতিহাসের সন্দিক্ষণে দাঁড়িয়ে কোহলি।



 শুক্রবার কিংস্টনে ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট জিততে পারলেই ভারতের সফলতম টেস্ট অধিনায়ক হয়ে যাবেন ক্যাপ্টেন কোহলি। অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে বিরাট জয় পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া।

 ৩১৮ রানে প্রথম টেস্ট জিতে নেয় কোহলি ব্রিগেড। আর এই টেস্ট জেতার ফলে বিদেশের মাটিতে ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে টেস্ট জয়ের নিরিখে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিকে টপকে যান বিরাট কোহলি। একই সঙ্গে ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে টেস্ট জয়ের নিরিখে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে স্পর্শ করেন ক্যাপ্টেন কোহলি। অধিনায়ক হিসেবে কোহলি এবং ধোনি দুজনেই ২৭টি করে টেস্ট ম্যাচ জিতেছেন।

৬০টি টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে ২৭টি টেস্ট জিতেছিলেন ধোনি। সেখানে মাত্র ৪৭টা টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে ধোনিকে ছুঁয়ে ফেলেছেন বিরাট কোহলি। আর তাই কিংস্টনে জিততে পারলেই ধোনিকে টপকে ভারতের সফলতম টেস্ট অধিনায়ক হয়ে যাবেন ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি।               

Thursday, August 29, 2019

গণেশ পূজোর নির্দেশিকা দিল হাইকোর্ট।



পুলিসের অনুমতি না মেলায় বন্ধ হওয়ার মুখে ছিল আমরা কজন ক্লাবের গণেশ পুজো। অনুমতি আদায় করতে, কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ক্লাবের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি হল উচ্চ আদালতে। বিশেষ শর্তসাপেক্ষে পুজো করার অনুমতি পেল আমরা কজন ক্লাব।  গত ৯ বছর ধরে গণেশ পুজোর আয়োজন করছে গড়ফা থানা এলাকার গাঙ্গুলি পুকুর মোড়ের আমরা কজন ক্লাব।

কোনও বছরেই পুজো আয়োজনের আগে পুলিসের অনুমতি পেতে সমস্যা হয়নি তাঁদের। কিন্তু এ বছরে পুজো আয়োজনের অনুমতি দেয়নি পুলিস। পুলিসের বক্তব্য, একই এলাকায় পাশাপাশি দুটি গণেশ পুজো হয়। এর ফলে যানজটের সমস্যা বাড়ে। সেই কারণেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।  এর পেছনে অবশ্য অন্য ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন ক্লাব সদস্যরা। তাঁদের দাবি, ক্লাবের সভাপতি প্রীতম দত্ত দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসাবে পরিচিত ছিলেন।

সম্প্রতি বিজেপিতে যোগদান করেন তিনি। আর তার পরেই তাঁর ক্লাবের পুজোর অনুমতি দিতে গিয়ে বেঁকে বসেছে প্রশাসন। এর পরেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় পুজো উদ্যোক্তারা। বৃহস্পতিবার বিচারপতি দেবাংশু বসাকের এজলাসে মামলার শুনানি হয়। ক্লাব পক্ষের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি সওয়াল করেন, রাজনৈতিক কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই পুজো করতে দেওয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে সরকার পক্ষের আইনজীবী অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, যানজটের সমস্যা দূর করতেই দেওয়া হয়নি অনুমতি। তার সঙ্গে তিনি এও জানান যে, পুজো কমিটি যদি ট্রাফিক আইন মেনে আয়োজন করেন, তবেই অনুমতি দেওয়া হবে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আমরা কজন ক্লাবকে নির্দেশ দেন, "ট্রাফিক আইন মেনে পুজো আয়োজন করার শর্তেই মিলবে অনুমতি।" শুধু তাই নয়, কলকাতা পুলিসের ট্রাফিকের কাছেও অনুমতি নিতে  নির্দেশ দেন বিচারপতি।  

ফ্রান্সের কাছে থেকে ৩৬ টি রাফাল বিমান কিনতে চলেছে ভারত।



ভারতকে আরও ৩৬টি রাফাল বিমান বিক্রি করতে চলেছে ফ্রান্স। আজই সেই নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে আলোচনায় বসছে দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদষ্টারা। মোদী জি-৭ সামিট থেকে ঘুরে আসার পরেই এই বৈঠক অত্যন্ত তা‌ৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সদ্য জি-‌৭ সামিট সেরে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপরেই রাফাল বিমান নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে দুই দেশ।

 দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাকবেন সেই বৈঠকে। এই প্রথম রাফাল নিয়ে দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পর্যায়ে বৈঠক হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ফ্রান্সে পৌঁছে গিয়েছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর উপদেষ্টাও থাকবেন সেই বৈঠকে। মোদীর জি-‌৭ সামিটে ফ্রান্স সফরেই ম্যাক্রোঁর সঙ্গে সম্ভবত কথা হয়ে গিয়েছিল। সেই কথা পাকা করতেই ডোভাল পাঠাচ্ছেন মোদী।

সূত্রের খবর, ফান্স নাকি আরও ৩৬টি রাফাল বিমান ভারতকে বিক্রি করতে আগ্রহ দেখিয়েছে। ফ্রান্সের প্রথম সারির সংবাদ পত্রেই প্রকাশিত হয়েছে এই খবর‌। সেখানে লেখা হয়েছে ভারতের নৌসেনার জন্য বিশেষ হেলিকপ্টার এবং যুদ্ধাস্ত্র ছাড়াও আরও রাফাল বিমান বিক্রি করতে চাইছে ফ্রান্স। শুধু রাফাল বিমান নয়, ভারতকে উপকূল রক্ষী বাহিনীর জন্য তৈবি বিশেষ হেলিকপ্টারেরও বিক্রি করতে চায় ফ্রান্স। এরসঙ্গে নৌবাহিনীর জন্য বিশেষ হেলিকপ্টার, সাবমেরিন এবং নতুন ইঞ্জিনের ফাইটার জেট বিমান বিক্রি করতে আগ্রহ দেখিয়েছে ফ্রান্স। ভারতও সেসুযোগ হাতছাড়া করবে না বলেই মনে হয়। কারণ মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে। তারপরে আবার পাক হুমকির মোকাবিলা করতে অস্ত্রভান্ডার মজবুত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

বিনিয়োগ শূন্য, সীমাহীন রির্টান কীভাবে বললেন মোদি।




বৃহস্পতিবার জাতীয় ক্রীড়া দিবস। এই দিনেই নয়া দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্টের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই কর্মসূচির লক্ষ্য জাতির সব নাগরিকের মধ্যে ফিটনেসের সংস্কৃতি তৈরি করতে উৎসাহিত করা। সব ভারতবাসীকে ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্টে সামিল হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

তিনি বলেন, এতে বিনিয়োগ শূন্য, কিন্তু সীমাহীন রিটার্ন। নিজের শেষ 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচি সূচনার কথা জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি এই ফিটনেস প্রোগ্রামের নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকবে বলে ইঙ্গিত করছিলেন। বিশ্ব ব্যাটমিন্টন চ্যাম্পিয়ন পিভি সিন্ধু থেকে স্প্রিন্টার হিমা দাস এই কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছেন। এদিন প্রধানমন্ত্রী ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্টের সূচনা করে বলেন, এতে বিনিয়োগ শূন্য, কিন্তু সীমাহীন রিটার্ন।

তিনি বলেন, সুস্থ মানুষের অর্থ হল সুস্থ পরিবার। যা সুস্থ সমাজ গঠন করে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ফিটনেস জীবনযাত্রার অন্যতম মান হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। কাজের দক্ষতার জন্য শারীরিক সুস্থতা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফিটনেসকে জীবনের অংশ করে তুলুন - মোদি।




 আজ, বৃহস্পতিবার জাতীয় ক্রীড়াদিবসে নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কেন্দ্রের ‘ফিট ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গোটা দেশে সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্যের সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য। সম্প্রতি সম্প্রচারিত ‘মন কী বাত’-এ ‘ফিট ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির সূচনার কথা ঘোষণা করেন মোদী।

আজ সকাল ১০টা থেকে ইন্দিরা গান্ধী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এই কর্মসূচির সূচনা হয়। বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন পিভি সিন্ধু, স্প্রিন্টার হিমা দাস, কুস্তিগীর বজরঙ্গ পুনিয়া-সহ অসংখ্য ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব কেন্দ্রের এই ‘ফিট ইন্ডিয়া’ কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছেন।

 ‘ফিট ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির উদ্বোধনে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “আমাদের দৈনন্দিন জীবন এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য ফিটনেস জরুরি।” দেশবাসীকে এই কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ফিটনেসকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তুলুন।”

Wednesday, August 28, 2019

তৃণমূল টেলেন্ট হান্ট, নতুন নেতা বাছার কাজ শুরু।



তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে এদিন কলকাতার মেয়ো রোডের সভা থেকে দলের জন্য একাধিক বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের বেশ কয়েকটি পরিকল্পনার রূপরেখাও ব্য়াখ্যা করেন মমতা। এরমধ্যে অন্যতম ছিল, ছাত্র যুবদের থেকে থেকে তৃমমূলের আগামী প্রজন্মের নেতা বাছাই সম্পর্কে মমতার নির্দেশ।

 মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, যেসমস্ত মানুষ কাাজ করতে চান, তেমন পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে পরবর্তী নেতৃত্ব ঠিক করতে হবে। এজন্য আয়োজিত হবে বিশেষ সমাবেশ। এছাড়াও একটি সবুজ ফর্ম দেওয়া হবে। সেই ফর্ম পূরণ করে দলীয় দফতরে পাছাতে হবে। তাতে লিখতে হবে নিজের যোগ্যতা, প্রাপ্তি, ইচ্ছার কথা। এরপর ফর্মটি খতিয়ে দেখবে তৃণমূল নেতৃত্ব। বিচার অনুযায়ী আমন্ত্রণ জানানো হবে বাছাই করা সদস্যদের।

আমন্ত্রণ জানানো হবে দলীয় দফতরে। থাকবে বিনামূল্যে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা। আমন্ত্রিত প্রার্থীদের সঙ্গে নিজে কথা বলবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর নির্ধারিত হবে নেতা, নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানিয়েছেন, আগামী ১৪ ও ১৫ নভেম্বর আয়োজিত হতে চলেছে এই নেতা বাছাই পর্বের বিশেষ সমাবেশ। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে এই সমাবেশ। তার আগে ১৪ নভেম্বর রাতে কলকাতায় যাতে আবেদনকাারী প্রার্থীরা এসে পৌঁছন ও থাকতে পারেন তার ব্যবস্থা করা হবে দলের তরফে।

মোদী সরকারের স্টাচু অফ ইউনিটি পেল আর্ন্তজাতিক সিকৃতি।



ক্ষমতায় আসার পরেই সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি তৈরির জন্য উঠে পড়ে লেগেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একেবারে যুদ্ধকালীন ত‌‌ৎপরতায় নর্মদা নদীর জলাধারের উপর তৈরি হয়েছিল এই বিশালাকৃতির মূর্তি। যার নাম দেওয়া হয়েছে স্ট্যাচু অব ইউনিটি। ৫৫৭ ফুট উঁচু সেই মূর্তি জায়গা করে নিয়েছে টাইমস পত্রিকার বিশ্বের উচ্চতম স্থানের তালিকায়।

 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শাসিত বিজেপি সরকার উঠে পড়ে লেগেছিলেন এই মূর্তির জন্য গুজরাটে নর্মদা নদীর উপর তৈরি সর্দার সরোবর জলাধারেই তৈরি হয়েছে এই বিশালাকৃতি মূর্তি। যা বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি বলেই দাবি করেছে মোদী সরকার।

এই মূর্তির উচ্চতা ১৮২ ফুট। ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসেই এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন তিনি। সর্দাব বল্লভ ভাই প্যাটেলের এই মূর্তি এখন দেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কয়েকদিন আগে পর্যন্ত এই মূর্তির নির্মাণ নিয়ে প্রবল বিরোধিত শুরু হয়েছিল। পরিবেশকর্মীরা দাবি করেছিলেন এই মূর্তি তৈরির জন্য প্রচুর গাছ কাটা হয়েছে এতে পরিবেশের ক্ষতি হবে। ওই এলাকায় বসবাসকারী আদিবাসীদের রুজিতে টান পড়বে। বিজেপি সরকার অবশ্য সেই বিরোধিতায় কর্ণপাত না করেই কাজ করেছিল। উদ্বোধনের পরেই পর্যটকদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। একদিনে প্রায় ৩৪,০০০ পর্যটক এই মূর্তি দেখতে গেছেন। এমনও রেকর্ড হয়ে গিয়েছে। স্ট্যাচু অব ইউনিটি এই সাফল্যে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী। টাইমস পত্রিকা বিশ্বের সর্বোচ্চ স্থানগুলির তালিকায় ১০০টি জায়গার মধ্যে স্থান করে নিয়েছে স্ট্যাচু অব ইউনিটি এবং মুম্বইয়ের শাহু হাউস।

 আরব সাগরের পাড়ে ১১ তলা বহুতলটি সাহু হাউস নামেি পরিচিত। ৩৮টি হোটেল রুম, সিনেমা হল, রুফটপ বার, সুইমিং পুল সবই রয়েছে এই বহুতলে। অসাধারণ সুন্দর এই বিল্ডিংয়ের অন্দর সজ্জা। রাজস্থানের বস্ত্রশিল্পের ছোঁয়া। সঙ্গে বড় বড় ভারতীয় শিল্পীদের আঁকা ছবি। মনোরম আলোক সজ্জা মুগ্ধ করবে অতিথিদের। এই দুটি জায়গার সুবাদে ভারত জায়গা করে নিয়েছে টাইমস পত্রিকার তালিকায়। সেটা বিশেষ সম্মানের বলেই মনে করে থাকে গোটা বিশ্ব। কারণ টাইমস পত্রিকার এই সেরা বাছাই করার প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন। সূক্ষ্ম থেকে অতিসূক্ষ্ম জিনিস খতিয়ে দেখে তবেই তালিকায় তোলা হয়। 

৫ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ আয় প্রতি ১০ শতাংশ আয় কর।




 আয়করে পরিবর্তন আনতে চলেছে কেন্দ্র। ৫ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে ১০ শতাংশ কর দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। নিউজ ১৮ সংবাদ মাধ্যম সূত্রে এমনটাই খবর। আয়কর স্তর খতিয়ে দেখতে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডাইরেক্ট ট্যাক্সেশনের সদস্য অখিলেশ রঞ্জনের নেতৃত্বে তৈরি করা হয় টাস্ক ফোর্স।

 জানা যাচ্ছে,  ওই টাস্ক ফোর্স ৫ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা আয়ে ১০ শতাংশ করের প্রস্তাব রাখে। আগে দিতে হত ২০ শতাংশ আয়কর। জানা যাচ্ছে, আয়করের স্তর পাঁচ পর্যায়ে ভাঙা হয়েছে। ৫, ২০ ও ৩০ শতাংশের পরিবর্তে ৫, ১০, ২০, ৩০ এবং ৩৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয় কেন্দ্রকে।

চলতি বছরে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে ২.৫ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে ৫ শতাংশ কর ধার্য করা হয়। তবে, বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ দেখালে ওই স্তরে পুরোটাই রিবেট পাওয়া যায়। জানা যাচ্ছে, ২০ লক্ষ থেকে ২ কোটি পর্যন্ত আয়করে আগের মতোই ৩০ শতাংশ করের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে, ২ কোটির বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ কর দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে টাস্ক ফোর্স।  

রাজ্যে দুই ধরনের রেশন কার্ড চালু করার নির্দেশ।



 রেশন কার্ডে সামঞ্জস্য চান মুখ্যমন্ত্রী। কার্ডের জন্য নাম নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরুর আগে সর্বদল বৈঠক করতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ৯ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর সব জেলায় বিডিও অফিসে শুরু হবে রেশন কার্ডের জন্য নাম নথিভুক্তকরণের প্রক্রিয়া। গরিব মানুষের কাছে সুলভে খাদ্য সামগ্রী পৌছনোর অন্যতম মাধ্যম রেশন ব্যবস্থা।

রেশন কার্ড থাকলেও, অনেকে রেশন নেন না। সামগ্রী নষ্ট হয়, থাকে দুর্নীতির আশঙ্কাও। এবার রেশন ব্যবস্থাকে সুসংহত করার ওপর জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জোর দিলেন রেশন ব্যবস্থায় সামঞ্জস্যে। আগামী ৯ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব জেলায় বিডিও অফিসে রেশন কার্ডের নাম নথিভুক্ত হবে।  মুখ্যমন্ত্রীর মতে, সকলের জন্য রেশন কার্ড জরুরি। তবে রেশন কার্ড বিলিতে সামঞ্জস্যও আনতে হবে। তিনি বলেন, 'খাদ্যমন্ত্রীকে বলবো একটা সর্বদল বৈঠক ডাকো। মানুষ গরিব, তার কোনও পার্টি হয় না।

তাই এই রেশন কার্ডের বিষয়ে সর্বদল ডেকে সবার পরামর্শ নাও।' অনেকে রেশন কার্ড শুধু পরিচয়পত্র হিসেবেই ব্যবহার করেন। এবিষয়ে নাগরিক পঞ্জির প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন মমতা। বলেন,'বহুক্ষেত্রে যাদের দরকার, তাঁরা রেশন পাচ্ছেন না। এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখতেই সর্বদল বৈঠক ডাকার নির্দেশ দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর শুরু হয় সর্বদল বৈঠক নিয়ে তত্‍পরতা। খাদ্যশস্য এবং খাদ্যশস্য নয় এমন সামগ্রীর জন্য আলাদা রেশন কার্ড তৈরির বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে খাদ্য দফতর। এবিষয়ে সর্বদল বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। এছাড়াও গরিব মানুষ রেশন পাচ্ছেন কিনা, উদ্বৃত্ত রেশন নিয়ে দুর্নীতির আশঙ্কার মতো বিষয়ও উঠতে পারে বৈঠকে। চলতি সপ্তাহেই রেশন কার্ড নিয়ে রয়েছে সর্বদল বৈঠকের সম্ভাবনা। 

ছাত্রদের থেকে বেছে নেওয়া হবে আগামী তৃণমূল নেতা।



 ছাত্র-যুবদের থেকে নিজে হাতে তৃণমূলে নতুন নেতৃত্ব বাছবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাদিবসের মঞ্চ থেকে গোটা পরিকল্পনার রূপরেখা ঘোষণা করেন তিনি। একই সঙ্গে সরকার বাঁচাতে আগামী ২ বছর ছাত্রছাত্রীদের লাগাতার লড়াই চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেন তিনি। বলেন, আপনারা ২ বছর দিলে বাংলা দেবে ৫০ বছর।

 এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ১৪ ও ১৫ নভেম্বর কলকাতায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক সমাবেশের আয়োজন হবে। যেখানে মানুষের জন্য কাজ করতে চায় এমন ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে পরবর্তী নেতৃত্ব তৈরির কাজ শুরু করব আমি। এজন্য একটি সবুজ ফর্ম প্রকাশ করবে তৃণমূল।

 সেই ফর্ম পূরণ করে পাঠাতে হবে দলীয় দফতরে। তাতে লিখতে হবে নিজের প্রাপ্তি, যোগ্যতা ও ইচ্ছা। ফর্ম খতিয়ে দেখে আমন্ত্রণ জানানো হবে প্রার্থীদের। আমন্ত্রিত প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে বাছাই করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। ১৪ নভেম্বর রাতে কলকাতায় প্রার্থীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করবে তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন মমতা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই তালিকা তৈরি করতে চাইছিলেন তিনি। নিঃস্বার্থ ভাবে যারা মানুষের কাজ করতে চায় শুধুমাত্র তারাই আবেদন করুন, আবেদন মমতার।  শিক্ষকদের সঙ্গেও তৃণমূলনেত্রীর একইরকম আলাপচারিতার আয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।  মমতার এই পরিকল্পনার পিছনে প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্ক রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। সংগঠিতভাবে নেতৃত্ব বাছাইয়ের নজির তৃণমূলে নেই। এতদিন বন্ধ ঘরে একাই সিদ্ধান্ত নিয়ে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  নিয়ম করে এদিনও মোদী সরকারকে বিভিন্ন ইস্যুতে তুলোধোনা করেন মমতা। বলেন, সিপিএমের হার্মাদরা এখন বিজেপির জহ্লাদ হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করে পশ্চিমবঙ্গ দখল করতে চায় বিজেপি। এমনকী সংবাদমাধ্যমকে বিজেপি কিনে নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, অ্যাডভাইজারির দোহাই দিয়ে শুধুমাত্র বিজেপির খবর দেখাচ্ছে সংবাদমাধ্যম।  

Tuesday, August 27, 2019

বিজেপির টার্গেট এই রাজ্যে এক কোটি সদস্য।



এবার বাংলা দখলই পাখির চোখ বিজেপির। রাজ্যে ইতিমধ্যেই উত্থান ঘটেছে গেরুয়া শিবিরের, তাই মিশন ২০২১-এর কাজ শুরু করে দিয়েছেন দিলীপ-মুকুলরা। লক্ষ্যও স্থির করে ফেলেছেন তাঁরা। এমনিতেই লোকসভায় প্রভূত সাফল্যের পর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে গিয়েছে, তারপর বিজেপির টার্গেট এক কোটি সদস্য করা।

 ২০২১-এর মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যে। তার আগে সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে বুথে বুথে। সেই কাজে টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি জানিয়েছেন সংগঠনকে আরও মজবুত করতে হবে। তাই সদস্য সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে এক কোটি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে রাজ্য বিজেপিতে ৭৭ লাখেরও বেশি সদস্য যোগদান করেছেন। কিন্তু এই বিপুল সংখ্যাক সদস্য সংগ্রহের পরও বসে থাকতে রাজি নয় রাজ্য বিজেপি। বিজেপি চাইছে এই সংখ্যাটাকে কোটিতে রূপান্তিরিত করতে।

 সেই লক্ষ্য নিয়েই ফের নেতা-কর্মীদের ঝাঁপিয়ে পড়াকা নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ জানান, আমাদের কর্মীরা দারুন কাজ করেছেন। আমাদের লক্ষ্য হবে এক কোটি সদস্য তৈরি করব। আর তা করতে পারলেই তৃণমূলের ক্ষমতা ধরে রাখার স্বপ্ন একেবারে ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে এবার। তৃণমূলের দিন শেষ। তিনি জানান, সদস্য সংগ্রহে প্রথম স্থানে আছে জলপাইগুড়ি জেলা। পাঁচ-ছ'টি জেলা লক্ষ্যমাত্রার ৫০ শতাংশ সদস্য সংগ্রহ করেছে। তাই তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য। তবে যা ভাবা হয়েছিল, তার থেকে ভালো হয়েছে সদস্য সংগ্রহ রাহুল সিনহাও বলেন, আমরা ৭৭ লাখে থামব না। ভালো কাজ হয়েছে। আরও ভালো কাজ ককে আমরা কোটির রেকর্ড ছোঁবই। এই আমাদেরে দৃঢ় অঙ্গীকার। বুথস্তরের নেতা-কর্মীরা অসম্ভব খাটছেন লক্ষ্যপূরণে। আমরা লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করবই। 

২০২১ জন্য এই দিকে লক্ষ দিচ্ছে প্রশান্ত কিশোর।



লোকসভা ভোটে হার থেকে শিক্ষা। এবার তফশিলি জাতি ও উপজাতি কর্মীদের গুরুত্ব বাড়তে চলেছে তৃণমূলে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রতি বিধানসভা এলাকায় ৫ জন করে তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি কর্মীদের গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আর যেসব এলাকায় তা নেই, সেখানে দক্ষ কর্মী নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে। এই সম্প্রদায়ের কর্মীরা অভাব, অভিযোগের কথা দলীয় নেতৃত্বের কাছে তুলে ধরবেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে সংরক্ষিত আসনের ফলে ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল।

অপর দিকে এই সম্প্রদায়ের মানুষের সমর্থন ব্যাপক ভাবে পেয়েছে বিজেপি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রত্যেক তৃণমূল বিধায়কের কাছে নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে, প্রতি কেন্দ্র থেকে ১০ জন করে তপশিলি জাতি ও উপজাতি কর্মীদের নাম পাঠানোর জন্য। পাশাপাশি এই সম্প্রদায়ের কর্মীদের নিয়ে বিধানসভা ভিত্তিক কমিটি গঠনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লোকসভা ভোটের ধাক্কা খাওয়ার পর ২০২১-এর বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে প্রশান্ত কিশোরকে দলের স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে নিয়োগ করেছে তৃণমূল। তিনি এবং তাঁর টিম পর্যালোচনা করে দিচ্ছেন নানা উপদেশ। জোর কদমে শুরু হয়েছে দিদিকে বলো কর্মসূচি।

দেশে ফিরেই জেটলির বাড়ি গেলেন মোদি।




দেশে ফিরেই অরুণ জেটলির বাড়িতে গেলেন নরেন্দ্র মোদী। এদিন অবশ্য মোদীর আগে অরুণ জেটলির বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা অরুণ জেটলির বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে সমবেদনা জানান।

প্রসঙ্গত গত শনিবার এইমসে প্রয়াত হন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি। বিদেশ থেকে ফিরেই অরুণ জেটলির বাড়িতে যান প্রধানমন্ত্রী মোদী। এদিন প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার আগেই জেটলির বাড়িতে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জেটলির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করার পাশাপাশি পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানান তাঁরা। দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বিজেপির শীর্ষ নেতা অরুণ জেটলি ২৪ অগাস্ট প্রয়াত হন। দীর্ঘদিন রোগভোগের পর ৬৬ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি। রবিবার কৈলাস কলোনির বাড়িতে দেহ নিয়ে যাওয়া হয়।

সেইদিনই নিগম্বোধ ঘাটে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। জেটলির মৃত্যুর দিন বিদেশ সফরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মৃত্যুর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ফোনে কথা বলেন, জেটলির স্ত্রী ও পুত্রের সঙ্গে। পরিবারকে সমবেদনা জানান সেইদিনই। জেটলির পরিবারের তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রী অনুরোধ করা হয় তিনি যেন বিদেশ সফর স্থগিত না করেন। মোদী গিয়েছিলেন ফ্রান্স, ইউএই এবং বাহারিন সফরে।

খরগপুর আই আই টি তে ৩৭২ জনকে দেওয়া হল পি এইজ ডি।



একদিনে ৩৭২ জনের হাতে পিএইচডি ডিগ্রি তুলে িদয়ে রকর্ড গড়ল খগড়পুর আইআইটি। মঙ্গলবার ছিল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয়ের ৬৫ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। আইআইটি খড়্গপুরের ডিরেক্টর কুমার ভট্টাচার্য জানিয়েছেন,‌ এ বছর মোট ২৮০২ ছাত্রছাত্রীর হাতে ডিগ্রি তুলে দেওয়া হয়েছে। গত বছর যেখানে ২৯৫ জনের হাতে পিএইচডি ডিগ্রি তুলে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে এবার এই ৩৭২ জনের হাতে পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হল।

 একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ২০ জন‌ প্রাক্তনীর হাতে বিশেষ সম্মান তুলে দেওয়া হয়। ৬৫ তম সমাবর্তন‌ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ‌ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল ও আইআইটি খড়্গপুরের বোর্ড অব গভর্নরের চেয়ারম্যান সঞ্জীব গোয়েঙ্কা।‌ কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ‌ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল ছাত্রছাত্রীদের উ‌ৎসাহ দিেয় বলেছেন, যে শিক্ষানীতি আনা হচ্ছে তা অনেক বেশি উপযোগী হবে ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে। অনেক নতুন নতুন বিষয় আনা হচ্ছে যা সময়োপযোগী হবে। তাঁর দাবি রামসেতু প্রমাণ করে যে সেই সময়েও ভারতের প্রযুক্তি অনেক উন্নত ছিল। অন্যদিকে ছাত্রছাত্রীদের নিজেদের উপর আস্থা রেখে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা 

পূর্ব মেদিনীপুরে অন্য দলের বহু কর্মী বিজেপিতে যোগদান করল।


পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুড়ির হেঁড়িয়ায় রাজনৈতিক লাভ হল বিজেপির। বিরোধী দল থেকে প্রায় ১৫০০ কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তবে এঁদের বেশিরভাগই সিপিএম কর্মী সমর্থক বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের হামলার মুখে দল পাশে না দাঁড়ানোয় এই বিজেপিতে যোগ বলে জানিয়েছেন দলবদলকারীরা।

 শুভেন্দু অধিকারীর গড় পূর্ব মেদিনীপুরে সিপিএম-এ বড় ভাঙন। তবে তারা সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে নয়, বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বিজেপির দাবি, এদিন দলবদল করেছেন প্রায় ১৫০০ কর্মী সমর্থক। এর ফলে খেজুড়িতে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।

 লোকসভা ভোটের পর থেকে রাজ্যে অন্যদল থেকে বিজেপিতে যোগদানের সংখ্যা বেড়েছে। শাসকদল তৃণমূল থেকে এই যোগদান যেমন হচ্ছে, যোগদান হচ্ছে বামদলগুলি এবং কংগ্রেস থেকেও। দলবদলকারীদের অনেকেই বলছেন, সিপিএম কিংবা কংগ্রেসে থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরোধী হিসেবে লড়াই করা যাচ্ছে না। একের পর এক মিথ্যা মামলার অভিযোগ করেছেন তাঁরা। তৃণমূলের অত্যাচার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতেই দলবদল বলে জানিয়েছেন তাঁরা। দলবদল নিয়ে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব লাভ দেখলেও, নিচু তলায় দলত্যাগীদের নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে।

জুন মাসে পশ্চিম বর্ধমানের সালানপুর এবং বারাবনি এলাকায় সিপিএম এবং তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদান হয়। এই যোগদানের পরেই বিজেপির অন্দরমহলে ক্ষোভপ্রকাশ করেন গেরুয়া শিবিরের স্থানীয় নেতারা। ক্ষোভ সামাল দিতে রাজ্য নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়, অন্য দল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে গেলে আগে মণ্ডল সভাপতি এবং ব্লক সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

লাল বাজারের তরফ থেকে পূজোর নির্দেশিকা জারি করা হল।



ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। বাকি আর মাত্র দেড় মাস তার আগেই পুজোর নিরাপত্তা সহ অন্যান্য বিষয়ে পুজো সমন্বয় কমিটির সঙ্গে বৈঠক সেরে নিল কলকাতা পুলিশের কর্তারা। সোমবার লালবাজারের বৈঠকে পুজোয় ১৩ দফা নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে লালবাজারের তরফে।

 লালবাজার সূত্রের খবর, পুরানো পুজো ছাড়া নুতন কোনও পুজোর জন্য কোনও মতেই আবেদন মঞ্জুর করা হবে না। এদিন কলকাতা পুলিশ, সিইএসসি, কেএমসি এবং ফায়ার ব্রিগেডের অনুমতি নিতে আবেদনের নীয়মাবলিও জানিয়ে দিল লালবাজার। পুজোর অনুমতির জন্য ৩০ আগস্ট থেকে আবেদন পত্র পাওয়া যাবে। পুজোর আবেদন পত্র সংগ্রহ করতে হবে স্থানীয় থানা থেকে। তবে শর্ত, আবেদন পত্র সংগ্রহের সময় দেখাতে হবে গত বছরের পুজোর অনুমতির প্রতিলিপি।

 এছাড়াও পুজো উদ্যোক্তারা পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইতে 'আসান' -এর মাধ্যমে ফর্ম সংগ্রহ করতে পারেন। একইসঙ্গে পুরসভার বোরো অফিসে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নো অবজেকশন করে স্থানীয় থানায় আবেদন পত্র জমা দিতে পারেন। আবেদন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৮ সেপ্টেম্বর। লালবাজারের আরও শর্ত, প্রতিমার উচ্চতা যাতে যেনো কোনোমতেই ১৭.৬ ফুটের বেশি না হয়। শহরের নাগরিক দের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় করা যাবে না পুজোর প্যান্ডেল। জোর করে বা ভয় দেখিয়ে কোনও ভাবেই কোনও পুজো কমিটি চাঁদা আদায় করতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে আইনী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। লাইসেন্স প্রাপ্ত ঠিকাদার ছাড়া অন্য কাউকে আলোক সজ্জার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। যান্ডেলের মধ্যে ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যাবস্থা চালু রাখতে হবে। পুজমণ্ডপ ও তার সংলগ্ন এলাকার আয়তন অনুযায়ী দর্শক ধারণ ক্ষমতা দেখে vip card বিতরণ করতে নির্দেশ। পুজোর প্যান্ডেল নির্মাণ ও শব্দ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে করতে হবে। যদি কোনও কতৃপক্ষ উৎসৃঙ্গল আচরণ করে ব্যাবস্থা নেবে প্রশাসন।  

Monday, August 26, 2019

একুশের জন্য বঙ্গ বিজেপিতে বড় সড় বদল।



রাজ্য বিজেপি ২০২১-এর লক্ষ্যে এখন থেকেই পাকাপাকি টিম তৈরি করে নিতে চাইছে। সেই লক্ষ্যেই মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে বৈঠক। আর এ বৈঠকে বাদ পড়তে পারেন এক হেভিওয়েট নেতা। যদিও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে নয়, তাঁকে অন্য কোনও রাজ্যে ব্যবহার করতেই এবার পদক্ষেপ নিয়েছে বিজেপি।

 এ রাজ্য থেকে সরিয়ে তাঁর দায়িত্ব বর্তাচ্ছে অন্য রাজ্যের। তিনি আর কেউ নন, কৈলশ বিজয়বর্গীয়। এতদিন বাংলার পর্যবেক্ষক হিসেবে তিনি কাজ করে গিয়েছেন। তবে লোকসভার আগে অরবিন্দ মেননকেও তাঁর সহকারী করে আনা হয়েছিল এ রাজ্যে। লোকসভায় বাংলায় উত্থানের পর আর একসঙ্গে দু-জনকে এ রাজ্যে রাখতে চাইছে না কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

 সেই কারণেই অরবিন্দ মেননকে রেখে কৈলাশকে অন্য রাজ্যে পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। কৈলাশ এতদিন রাজ্যে কাজ করলেও, অরবিন্দ মেনন বাংলা জানেন। তাই বাংলায় তাঁকে রেখে কৈলাশকে আরও বড় দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হচ্ছে অন্য রাজ্যে। তবে কী সে দায়িত্ব, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে রাজ্যে কৈলাশ-মুকুল জুটি ভেঙে যাবে। বিজেপি অবশ্য সেই ভাবনা-চিন্তাও করছে। উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার পক্ষপাতী নয় বিজেপি। মুকুল-কৈলাশ জুটি যে সাফল্য এনেছে, দিলীপের নেতৃত্বে রাজ্য বিজেপি যে কাজ করেছে, তাতে খুশি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তবুও বৃহত্তর স্বার্থে এই একটা বড় পরিবর্তন হলেও হতে পারে। এছাড়া রাজ্য বিজেপিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুবই কম। দিলীপ ঘোষের কাঁধেই থাকছে নেতৃত্বভার। দিলীপের সক্রিয়তায় খুশি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। খুশি মুকুল-কৈলাশের চাণক্যনীতি প্রয়োগেও। এখন দেখার সদ্য তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা আর এক বড় নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়ের উপর কী দায়িত্ব বর্তায়। 

হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি পাতের সম্ভাবনা আগামি ২৪ ঘন্টায়।



শনিবার ছিঁটেফোঁটা বৃষ্টিতে ভিজেছে শহরতলি। ববিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ কিছুটা মেঘলা। আবহওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সকালে বজ্রবিদ্যুত্-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মোদিনীপুরে। এদিকে, ওড়িশার উপকূলবর্তি অঞ্চলে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে দক্ষিণ বাংলাদেশ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গে তৈরি হওয়া একটি ঘূর্ণাবর্ত।

 এর ফলেই আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তি ও পশ্চিমের জেলাগুলি। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই। উল্লেখ্য, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে এমনিতেই বৃষ্টির ঘাটতি ছিল। ফলে আমন চাষে সমস্যায় পড়েছিলেন চাষীরা। গত ২ সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তা অনেকটাই কমেছে। ফলে কিছুটা স্বস্তি চাষিদের মধ্যে।   

অনুমোদন হীন কর্মী নিয়োগ নয় পৌরসভায় জানাল নবান্ন।



পৌরসভায় সরকারি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কড়া নির্দেশ জারি করল অর্থ দফতর। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, স্থায়ী, অস্থায়ী বা চুক্তিভিত্তিক যে কোনও ধরনের কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রেই আগে অর্থ দফতরের অনুমোদন নিতে হবে। পৌরসভাগুলি নিজের মর্জিমাফিক আর কোনও নিয়োগ করতে পারবে না।

 প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে হাওড়ায় প্রসাশনিক বৈঠকে পৌরসভায় কর্মী নিয়োগ নিয়ে নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়েছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই নড়েচড়ে বসে অর্থ দফতর। পৌরসভাগুলিকে সতর্ক করে নবান্নের তরফে জারি করা হল কড়া বার্তা। নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, নিজেদের মর্জিমাফিক আর কোনও নিয়োগ নয়।

 উন্নয়নের অর্থ দিয়ে বেতন দেওয়া যাবে না। এমনকি, নিজস্ব আয়ের অর্থ দিয়েও দেওয়া যাবে না বেতন। এমন ঘটনা ঘটলে সেক্ষেত্রে আরও কড়া পদক্ষেপ করবে নবান্ন। বন্ধ করে দেওয়া হবে উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট বরাদ্দ অর্থ। ইতিমধ্যেই নয়া নির্দেশিকা পৌরসভাগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারি নিয়ম বহির্ভূত নিয়োগ যে আর বরদাস্ত করা হবে না, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতির জন্য ২২ জন শুল্ক আধিকারিককে অবসর দিল কেন্দ্র।



 জুন মাসেই দুর্নীতি, যৌন হেনস্থার অভিযোগে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের ১২ জন উচ্চপদস্থ আধিকারিককে বাধ্যতামূলক অবসর নেওয়ার নির্দেশ দেয় অর্থমন্ত্রক। এ বার দুর্নীতির দায়ে শুল্ক দফতরের অন্তত ২২ জন কর্মকর্তাকে অবসর নিতে বাধ্য করল কেন্দ্র।

এই সব আধিকারিকের নাম একাধিক দুর্নীতির মামলায় জড়িয়ে থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। সম্প্রতি এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে জানান, শুল্ক দফতরের কয়েকজন দুর্নীতিগ্রস্থ আধিকারিক তাঁদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে করদাতাদের হয়রান করছেন। “আমরা ইতিমধ্যে এর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আধিকারিককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছি। আমরা এই ধরণের আচরণ সহ্য করব না”, বলেন মোদী। দুর্নীতির দায়ে কেন্দ্রের কোপে অবসর নিতে বাধ্য হওয়া উচ্চপদস্থ শুল্ক আধিকারিকদের মধ্যে রয়েছেন কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, মেরট-সহ দেশের বড় বড় শহরের ২২ জন ‘হেভিওয়েট’ কর্তা।

সূত্রের খবর, এই ২২ জন শুল্ক আধিকারিক হলেন, প্রমোদ কুমার, ভি কে সিং, কে কে উইকে, ডিআর চতুর্বেদি, এসআর পারাতে, দীপক এম গাণিয়ান, কৈলাস ভার্মা, কেসি মন্ডল, ভিপি সিং, এমএস দামোর, আরএস গোগিয়া, নবনীত গোয়েল, কিশোর প্যাটেল, জেসি সোলঙ্কি, এসকে মন্ডল, অচিন্ত্য কুমার প্রামাণিক, এই ছাপারগেরে, লীলা মোহন সিং, এস অশোকরজ, ডি অশোক, গোবিন্দ রাম মালভিয়া এবং মুকেশ জৈন। 

জি সামিটে যোগ দিতে মোদি গেলেন ফ্রান্সে।



কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে এই প্রথম আন্তর্জাতিক সামিটে যোগ দিতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে এলাহি অভ্যর্থনা। এবং সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পাওয়ার পর এক গুচ্ছ কর্মসূচি সরে ফ্রান্সে উড়ে যান প্রধানমন্ত্রী।

 ফ্রান্সের বিয়ারিজে জি-৭ সামিটে পরিবেশ এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত বিষযে বক্তৃতা করার কথা মোদীর। এই সামিটে উপস্থিত থাকবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি ব্যক্তিগত ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ফরাসী প্রেসিডেন্টের এই আমন্ত্রণ যে দুই দেশের বন্ধুত্বের ঘনিষ্ঠতা আরও ভাল করে বুঝিয়ে গিয়েছে। এর থেকেই বোঝা যায় ভারতের অর্থনৈিতক অবস্থান ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।

 জি-৭ সামিটে ভারত ছাড়াও থাকছে ফ্রান্স, কানাডা, ব্রিটেন, জার্মানি, ইটালি, জাপান এবং আমেরিকা। এই বৈঠকেই কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনায় বসতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কয়েকদিন আগেই কাশ্মীর নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ড। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেছিলেন কাশ্মীর অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে রয়েছে।  

ধারা ৩৭০ শেষের পর জম্বু কাশ্মির সচিবালয়ে উড়ছে ভারতের পতাকা।




জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একইসঙ্গে রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ এখন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। জম্মু ও লাদাখের পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে কাশ্মীর। এখনও কয়েকটি ক্ষেত্রে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এসবের মধ্যেই রবিবার জম্মু-কাশ্মীর সচিবলায় থেকে সরিয়ে দেওয়া হল সে রাজ্যের আলাদা পতাকা। এখন সেখানে উড়ছে ভারতের তেরঙা।

 ৩৭০ অনুচ্ছেদ থাকায় জম্মু-কাশ্মীর সচিবালয়ে তেরঙার সঙ্গে থাকত রাজ্যের আলাদা পতাকা। একইসঙ্গে ভারতের রাষ্ট্রীয় পতাকা বা প্রতীকের অবমাননা হলে আইনত অপরাধ হিসেবে গণ্য হত না।  ১৯৪৯ সালে ১৭ অক্টোবর ভারতীয় সংবিধান যুক্ত করা হয় অনুচ্ছেদ ৩৭০। তার আগে জম্মু-কাশ্মীর সংবিধানসভায় পাশ হয়েছিল ৩০৬এ (অনুচ্ছেদ ৩৭০)। সংশোধনের আগে ৩৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দারা দ্বৈত নাগরিকত্ব পেতেন। রাজ্যের আলাদা পতাকাও ছিল। জাতীয় পতাকা বা প্রতীকের অবমাননা অপরাধ হিসেব গণ্য হত না। সুপ্রিম কোর্টের সব নির্দেশ জম্মু-কাশ্মীরের জন্য খাটত না। জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আইন আনার ক্ষমতা ছিল ভারতীয় সংসদের।

 প্রতিরক্ষা, বিদেশ ও যোগাযোগ ছাড়া আর কোনও আইন জম্মু-কাশ্মীরে লাগু হত না। আইন লাগু করতে গেলে সে রাজ্যের বিধানসভার সম্মতির দরকার পড়ত। দ্বিতীয়বার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এসে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় মোদী সরকার। একইসঙ্গে লাদাখের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে, জম্মু-কাশ্মীরকে ভাগ করা হয় দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ এখন আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা থাকবে তবে পুলিস থাকবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে। লাদাখে আলাদা বিধানসভা থাকবে না। রাজ্যসভা ও লোকসভায় ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের প্রস্তাব পাশ করাতে সম্মত কেন্দ্র। একইসঙ্গে পাশ হয় জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল। বলে রাখি, জম্মু-কাশ্মীর থেকে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে অনুচ্ছেদ ৩৭০ রদের দাবি করে এসেছে গেরুয়া শিবির।  ভারত সরকার জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদের পর থেকে চটেছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক মঞ্চে নালিশও করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কিন্তু চিন ছাড়া পাকিস্তানের পাশে নেই কেউই। চিনের আবেদনে সাড়া দিয়ে কাশ্মীর নিয়ে অ-আনুষ্ঠানিক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সম্মত হয় রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ। কিন্তু সেখানে চিন ছাড়া পরিষদের আর কোনও স্থায়ী সদস্য পাশে দাঁড়ায়নি ইসলামাবাদের। এমনকি ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিও ভারতবিরোধী মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকেছে।    

Sunday, August 25, 2019

বুধবার থেকে কোলকাতা সহ দক্ষিণ বঙ্গে বাড়তে পারে বৃষ্টি পাত।



 ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। এর ফলে ২৮ অগাস্ট উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। তার জেরেই বুধবারের পর থেকে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। এদিকে, সোমবার কলকাতার আকাশ মূলত মেঘলা।

বেলার দিকে কয়েক পশলা বজ্রবিদ্যুত্-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসে জলীয়বাষ্প থাকায় আদ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকবে। সোমবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৫ ডিগ্রি। রবিবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৩ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। উল্লেখ্য, ঘূর্ণাবর্তের কারণে আগামী ২৪ ঘণ্টা সমুদ্র উত্তাল থাকবে। মত্সজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।  

বাহারিনে কৃষ্ণ পূজ দিলেন মোদি।



 বাহারিনের মনামায় ২০০ বছরের প্রাচীন শ্রী কৃষ্ণ মন্দিরের পুনর্নির্মাণের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই প্রকল্পে খরচ পড়বে ৪২ লক্ষ ডলার। চলতি বছরেই শুরু হবে কাজ। প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী বাহারিন সফরে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। সেখানে অনবাসী ভারতীয়দের সভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে দ্য কিং হামাদ অর্ডার অব দ্য রেনেসাঁস সম্মানে সম্মানিত করেন বাহারিনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফা।

 রবিবার বাহারিনে ২০০ বছরের প্রাচীন শ্রীনাথ জি মন্দিরে আরতির সময় হাজির ছিলেন মোদী। সেখানে হাতজোড় করে প্রার্থনা করেন প্রধানমন্ত্রী।  শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে রুপে কার্ডের সূচনা করেন মোদী। সেখানেই একটি দোকানে রুপে কার্ড ব্যবহার করে লাড্ডু কেনেন। ওই লাড্ডু প্রসাদ হিসেবে দিয়েছেন বাহারিনের মন্দিরে।   মানবিক কারণে ২৫০ জন ভারতীয় বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাহারিন। সেই সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানান মোদী।  বাহারিন থেকে প্রধানমন্ত্রী রওনা দিয়েছেন ফ্রান্সের উদ্দেশে।

 সেখানে জি৭ সম্মেলনে অংশ নেবেন নরেন্দ্র মোদী। সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা।  তার আগে মার্কিন প্রশাসন আরও একবার জানিয়ে দিয়েছে, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ অবলুপ্তি একেবারেই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়।মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক বলেছেন,'৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে নিশ্চিতভাবেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্রাম্প শান্তি ফেরানোর পদক্ষেপের কথা শুনতে চাইবেন। কাশ্মীরের মানবাধিকার কীভাবে রক্ষা করছেন, তাও জানবেন ট্রাম্প।' শুধুমাত্র ভারত চাইলেই কাশ্মীর নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতা করতে পারে বলেও জানান ওই আধিকারিক। কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতার প্রস্তাব ইতিমধ্যেই দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে ভারত সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, কাশ্মীর দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তৃতীয়পক্ষের দরকার নেই। 

Tuesday, August 20, 2019

কিভাবে আই টি রির্টান করবেন আধার লিঙ্ক করে জেনে নিন।



২০১৫ সালেই মোদী সরকার নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছিল আয়কর রিটার্নের সঙ্গে আধার নম্বর যোগ করতে হবে করদাতাদের। আধার নিয়ে বিতর্ক হলেও তা কিন্তু নিয়মে পরিণত হয়েছে।

আধারের তথ্য দেখানো বাধ্যতামূলক। এখন ঘটনা হল অনেকেই প্রথমবার আয়কর জমা করতে গিয়ে আধার লিঙ্ক করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সহজ পদ্ধতি। আয়কর রিটার্নের ওয়েব সাইটে গেলেই ই-ফাইলিং অপশন দেখা যাবে। সেখানে ক্লিক করে যেতে হবে আধার লিঙ্ক অপশনে।

 সেখানে করদাতাকে তাঁর আধার কার্ডের যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। তারপরে লিঙ্ক টু আধারে ক্লিক করলেই গোটা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। অত্যন্ত সহজ এই পদ্ধতি। করদাতা নিজেই এই কাজ অনলাইনে করতে পারেন। তাহলেই সহজে আয়কর জমা করতে সুবিধা হবে।  

প্রবল বর্ষণে প্লাবিত দিল্লি সহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত।



প্রবল বর্ষণে উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জনের। পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডে ধসে বহু পর্যটক আটকে রয়েছেন। প্রবল বর্ষণের কারণে উদ্ধারকাজ করা যাচ্ছে না। পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও হিমাচল প্রদেশে আগামী ২৪ ঘণ্টা প্রবল বর্ষণের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

 পাঞ্জাবের পাঠানকোট, রোপর এবং লুধিয়ানার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। একাধিক এলাকা জলের তলায় চলে গিয়েছে। বিশেষ করে এই তিন জেলার গ্রামাঞ্চলের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। অসংখ্যমানু বানভাসী। তাঁদের উদ্ধার কাজ শুরু করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বিহিনী। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘোষণা করে ১০০ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে। উত্তরাখণ্ডে টানা বর্ষণে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পার্বত্য এলাকা হওয়ায় এই রাজ্যের অধিকংশ এলাকাই ধস প্রবণ।

 কয়েকদিন আগেই উত্তরকাশীতে মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বিপুল বিপর্যয় হয়েছে। একাধিক জায়গায় ধস নেমে রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একাধিক গ্রামীণ এলাকার মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছেন। উত্তরাখণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ আট জন। অন্যদিকে হিমাচল প্রদেশের অবস্থাও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। লাগাতার বৃষ্টিতে পার্বত্য রাজ্যের একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখনও ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এই রাজ্যে। দিল্লিতে খোলা হয়েছে ২১২০টি ত্রাণ শিবির।

কারণ যমুনা নদীর তীরে এবং নীচু এলাকায় প্রায় ২৩,৮১৬ জন বসবাস করেন। ৩০টি বিপজ্জনক এলাকা চিহ্নিত করে উদ্ধার কাজের জন্য ৫৩টি বোট মজুত রাখা হয়েছে। যমুনা নদীর উপরে থাকা লোহা পুলের যান চলাচল গতকাল থেকেই বন্ধ করে দিয়েছে দিল্লির ট্রাফিক পুলিস। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।   

Sunday, August 18, 2019

সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের এবারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে চাই অমিত শাহকে অবাদার প্রদীপের।



 সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের এবারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে পারেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। বুধবার এমনই আবেদন নিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা করলেন কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ঘোষ। এবছর সোনার পাত দিয়ে দুর্গা প্রতিমা বানাচ্ছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার।

  প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর খাসতালুক বলে পরিচিত সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের উদ্বোধন করানোর জন্য অমিত শাহকে বাছাই করা নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ঘোষও বিজেপিতে যোগদান করতে পারেন বলে শুরু হয়েছে আলোচনা।  সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের এবারের প্রতিমা গড়তে খরচ পড়বে ১৭ কোটি টাকা। প্রতিমা শিল্পী মিন্টু পাল। কেন এত টাকা খরচ? উদ্যোক্তাদের দাবি, এবার সোনার পাত দিয়ে তৈরি হবে তাদের প্রতিমা।

প্রতিমা গড়তে লাগছে ৫০-৬০ কিলো সোনা। সে কারণে খরচ পড়ছে ১৭ কোটি টাকা। এতদিন প্রতিমার মুকুট, বালা ইত্যাদি সোনায় গড়ানো হতো। কিন্তু এবার আস্ত প্রতিমাই সোনার! এটা অভিনব বলে দাবি উদ্যোক্তাদের।  শুধু প্রতিমাই নয়, থিমেও চমক দিতে চলেছেন বলে দাবি সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো উদ্যোক্তাদের। সোনার দুর্গার নিরাপত্তায় নিরাপত্তায় বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ প্রদীপ ঘোষ। 

ধারা ৩৭০ বিলোপের পর, এবার এক দেশ এক নির্বাচনের পথে হাটবে দেশ - শিবসেনা।



এবার কি ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর পথে হাঁটবে কেন্দ্র সরকার! অন্তত এমনটাই দাবি করেছে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা। তাদের মুখপত্র সামানায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে শিবসেনার দাবি, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। বিজেপির ইস্তাহারের একের পর এক প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর দ্বিতীয় ইনিংসে কার্যকর করে চলেছেন। তাতে আরও অক্সিজেন খুঁজে পাচ্ছে শিবেসনা।

 সামানার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৭০ বিলোপ করে ‘এক দেশ এক সংবিধান’-র পথে কেন্দ্র যেমন হেঁটেছে, তেমনই ‘এক দেশ এক আইন’ করা হয়েছে জিএসটি এনে। এরপরই কি ‘এক দেশ এক নির্বাচন’? প্রশ্ন শিবসেনার। এনডিএ শরিকগুলিও এ-ও মনে করছে, রাম মন্দির তৈরি নিয়ে কেন্দ্রের এবার কড়া পদক্ষেপ করা উচিত।

যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নির্বাচনের আগে জানিয়েছিলেন, আদালতের রায় আসার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টে প্রতিদিন শুনানি হচ্ছে অযোধ্যা মামলা। সামানায় আরও বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় সরকারের বাধা-বিপত্তি এবং তার সমাধানের কথা বলেছেন। কেন্দ্রের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে বিজেপি তাদের এজেন্ডাগুলো রূপায়ন করতে সমর্থ হয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়েও সরকার যে উদ্বেগে, সে বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে সামানায়।

এবার থেকে শুধু পাক অধিকৃত কাশ্মির নিয়ে কথা হবে।



  রবিবার হরিয়ানার পঞ্চকুলায় এক সভায় কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে পাকিস্তানকে তুলোধন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নের জন্য ৩৭০ ধারা বিলোপ করা হয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী এনিয়ে দুনিয়ায় বিভিন্ন রাষ্ট্রের দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

 কেউ কেউ বলেছে কাশ্মীর নিয়ে ভুল করেছে ভারত। আমরা বলছি, এবার যদি পাকিস্তানের সঙ্গে কাশ্মীর নিয়ে কথা হয় তাহলে তা হবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই। তবে জঙ্গি মদত বন্ধ করতে হবে পাকিস্তানকে। পাকিস্তানকে নিশানা করে এদিন রাজনাথ বলেন, ‘আমরা ৩৭০ ধারা বাতিল করলাম আর প্রতিবেশী দেশ দুর্বল হয়ে গেল! ওরা এখন দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে ছোটাছুটি করছে।’

 সভায় বিরোধীদেরও আক্রমণ করেন রাজনাথ। বলেন, বিরোধীরা বলে বেড়াতো, বিজেপি ৩৭০ ধারাকে ছুঁতেও পারবে না। কাশ্মীরের এই ধারা যদি বাতিল করে তাহলে আর ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না। ক্ষমতায় এসে মাত্র কয়েক মিনিটেই ৩৭০ বিলোপ করেছে সরকার। উল্লেখ্য, সম্প্রতি পোখরানে এক অনুষ্টানে রাজনাথ মন্তব্য করেন, এতদিন আমাদের ছিল পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার আগে করবে না ভারত।

 পরিস্থিতি সরকারের সেই নীতি বদলও হতে পারে। প্রসঙ্গত, বারেবারেই তাঁর পরমাণু অস্ত্রের কথা বলে ভারতকে তা মনে করিয়ে দেয় ভারত। বালাকোটে বায়ুসেনার অভিযানের সময়েও পরমাণু অস্ত্রের কথা তুলেছিল ইসলামাবাদ। সেকথা মাথায় রাখলে পোখরানে রাজনাথের মন্তব্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।