Saturday, August 31, 2019

দিলিপকে কার্যত এরিয়ে দিল্লি পারি দিলেন শোভন ও বৈশাখী।



 রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে মতান্তরের মধ্যেই দিল্লিতে উড়ে গেলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জগতপ্রসাদ নাড্ডার সঙ্গে দেখা করবেন বলে খবর। বিজেপির জাতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেন,'ছেড়ে দেওয়ার জন্য কাউকে দলে নেওয়া হয় না।'

 শোভন-বৈশাখী যোগদানের পর থেকে একের পর এক ঘটনায় বিব্রত রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। এক বিজেপি নেতার বক্তব্য, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে 'বিরাটমাপের নেত্রী' ভেবে ফেলেছেন, আর তাঁকে ছাড়া এক পাও ফেলতে নারাজ শোভন চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির মতো অনুশাসন মেনে চলা দলে যা বিড়ম্বনার কারণ হয়ে উঠেছে। দেবশ্রীকে নেওয়া যাবে না, এহেন আবদার দিয়ে শুরু হয়েছিল নাটক। আর এখন নিজেকে শোভনের সমকক্ষ ভাবতে শুরু করে দিয়েছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শোভন চট্টোপাধ্যায়কে বড় দায়িত্ব দিতে চাইছে বিজেপি। সমমর্যাদার পদ চাইছেন বৈশাখীও। কিন্তু বৈশাখীকে পদ দিতে নারাজ দিলীপ ঘোষরা। এহেন পরিস্থিতিতে বেঁকে বসেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র কাছে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। আর রাজ্য নেতৃত্বকে কার্যত এড়িয়ে পাড়ি দিয়েছেন দিল্লিতে। সেখানে সর্বভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন শোভন-বৈশাখী। কথা হবে বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও।  শোভন-বৈশাখীকে নিয়ে বেজায় চাপে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। তাঁরা ইস্তফা দিলে আরও একবার মুখ পুড়বে। বিজেপির জাতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহার সাফাই, এক জায়গা থেকে আর জায়গা গেলে খাপ খাওয়াতে সময় লাগে। অধৈর্য হওয়ার কারণ নেই। সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কাউকে বিজেপি কখনও অনাদার করেনি। অনাদার করার প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, রাজ্য নেতৃত্বকে এড়িয়ে সর্বভারতীয় নেতাদের সঙ্গে কেন বৈঠক করছেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়? শোভন চট্টোপাধ্যায় কলকাতার প্রাক্তন মেয়র। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন। কিন্তু বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক পরিচয় কী?

No comments:

Post a Comment