Monday, September 30, 2019

আগামীকালই মুকুলের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করছেন তৃণমূলের প্রাক্তন মেয়ের।



 শেষপর্যন্ত দলত্যাগ-ই করছেন সব্যসাচী দত্ত। আগামিকালই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র। ঘনিষ্ঠ সূত্রে পাওয়া খবর, আগামিকাল সকাল ১১টায় বিধাননগরে একটি মিছিলে যোগ দেবেন সব্যসাচী দত্ত। তারপরই তিনি গেরুয়া শিবিরে যোগ দেবেন। মিছিল করে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত থেকে বিজেপির পতাকা গ্রহণ করবেন সব্যসাচী।



দেবীপক্ষের শুরুতেই দল বদলে রাজনৈতিক কেরিয়ারে নিজের নতুন জার্নি শুরু করছেন সব্যসাচী দত্ত।  সব্যসাচী দত্তের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনার শুরু লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই। বিদ্যুভবনে গিয়ে বকেয়া আদায়ের দাবিতে বিদ্যুতকর্মীদের বিক্ষোভকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঘটনা থেকে শুরু। সব্যসাচীর ভূমিকায় চূড়ান্ত ক্ষুূব্ধ শীর্ষ নেতৃত্ব। এরপরই আসে সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের 'লুচি-আলুরদম' পর্ব। সেই ঘটনাকে ঘিরে তুঙ্গে ওঠে সব্যসাচীর দলবদলের জল্পনা।



যদিও তখনকার মতো সব্যসাচীকে 'বুঝিয়েসুঝিয়ে' পরিস্থিতি সামাল দেয় তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু 'ফাটল' জোড়া লাগেনি। ধীরে ধীরে দূরত্ব ক্রমশ বাড়ে। এরপরই বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদে আসীন সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে একযোগে অনাস্থা আনেন কাউন্সিলররা। সেই জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। আদালতে দু'পক্ষের দড়ি টানাটানিতে প্রাথমিকভাবে সবস্যচী দত্ত জিতে গেলেও, তারপরই আসে নাটকীয় মোড়। সব্যসাচী নিজেই বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেন। আর সেইদিন ফের 'ছোট ভাই সব্যসাচীকে দুঃসময়ে পরামর্শ দিতে' পৌঁছে যান 'দাদা' মুকুল রায়।

একের পর এক ঘটনায় সব্যসাচীর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পথে যেন একটা একটা করে ইট পাতা হচ্ছিল। যারমধ্যে নবতম সংযোজন সব্যসাচী দত্তের গণেশ পুজোয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়ের 'উজ্জ্বল' উপস্থিতি। গণেশ পুজোর প্যান্ডেলেও ছিল 'পদ্মের' ছায়া। প্যান্ডেল শীর্ষের নকশা তৈরি হয়েছিল পদ্মের আদলে।

Sunday, September 29, 2019

আজম খানের নোংরামির সময় শেষ। এইবার হতে চলছে আজম খানের ভয়ানক পরিনতি।



যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে UP প্রশাসন আরো একবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সমাজবাদী পার্টির বিতর্কিত নেতা আজম খানের গ্রেফতারি যে কোনো সময় হতে পারে। আজম খান সমাজবাদী পার্টির নেতা হওয়ার সাথে সাথে বর্তমান রামপুর থেকে লোকসভার সাংসদ। আজম খানের উপর এখন গ্রেফতারির তরওয়াল ঝুলতে শুরু হয়েছে। দুর্নীতি, জমির অবৈধ কব্জা করা মামলায় আজম খানের উপর অভিযোগ এসেছে।



আজম খানের উপর অভিযোগ রয়েছে যে, উনি নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমির উপর অবৈধ কব্জা করেছেন। অভিযোগ এই যে, জালি ডকোমেন্টস তৈরি করে আজম খান বহু জমি মৌলানা আলী জহর ইউনিভার্সিটির জন্য কব্জা করেছিল। উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী সরকার ছিল এবং সেই সময় কিছু অফিসারদেরকে নিয়ে জমি জিহাদের ঘটনা ঘটিয়েছিল।



 অবৈধভাবে জমি দখল করার জন্য আজম খানের বিরুদ্ধে আজিম নগর থানায় ক্রিমিনাল কেস দায়ের করেছে। আজম খানের উপর ২৬ জন কৃষক মামলা দায়ের করেছে। কৃষকরা জানিয়েছেন যে সমাজবাদী পার্টির সরকার থাকাকালীন তাদেরকে জোর করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর জালি দস্তাবেজে সাইন করানো হয়েছিল।



 কিছু কৃষক হস্তাক্ষর করতে অস্বীকার করেছিল। তাদেরকে অত্যাচার করে জোর করে জমি কব্জা করে নেওয়া হয়েছিল। সেই সময় রামপুরের সরকারি আধিকারিক আলী হাসানও আজম খানের সাথে মিলে ষড়যন্ত্র করেছিল। এখন আজম খানের বিরুদ্ধে ২৬ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের সরকার রয়েছে। তাই লোকজন আশার আলো দেখছে। পুলিশ মামলার তদন্ত করে আজম খানকে গ্রেফতার করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।   

Saturday, September 28, 2019

অবশেষে রাজীব কুমারকে পাওয়া গেল দেখুন কোথায়।



অবশেষে পাওয়া গেল রাজীব কুমারকে। হ্যা অবাক এই কথাটি কথাটি শুনে এমনই মজার নিউজ ভেসে বাড়াচ্ছে সোস্যাল মিডিয়াতে এবং অনেক ফেসবুক পেজে। আসলে অনেক খোজা খুজির সত্ত্বেও পাওয়া যায় রাজীব কুমার তাই নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে ভেসে আসছে নানা বক্তব্য অনেকে বলছেন রাজীব কুমার কি আকাশে উড়ে গেল না মাটিতে চাপা পড়ল। তারই মধ্যে কেউ কউ মজা করে লিখেছে পাওয়া গিয়েছে রাজীব কুমারকে অবশ্য তা আমাদের ক্লাস ফোরের জেনারেল নলেজের বইতে।



প্রসঙ্গত স্মরণ করিয়ে দি, রাজীব কুমারকে সিবিআই যখন প্রথম জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েছিল তখন কলকাতায় নাটকীয় ঘটনা ঘটেছিল। কলকাতা পুলিশ CBI টিমকে বাধা প্রদান করেছিল এবং জোর করে গাড়িতে তুলে রাজীবের বাড়ির সামনে থেকে অন্যত্র করেছিল। এক প্রকার দাদাগিরি করা হয়েছিল CBI আধিকারিকদের সাথে। শুধু এই নয় সিজিও কমপ্লেক্স থেকে যাতে CBI এর টিম বেরোতে না পারে তাই পুলিশ সিজিও কমপ্লেক্সকে পুলিশ দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল। এরপর কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ জওয়ান নামিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সকে মুক্ত করতে হয়েছিল।



এরপর আবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী CBI তদন্তের বিরোধিতা করে ধর্ণায় বসে পড়েছিলেন। সেই সময় সিবিআই এর কাজে বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গে মমতা ব্যানার্জীকে অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তবে যাইহোক এখন সিবিআই এর কাছে আদালতের পুরো নির্দেশ আছে এবং CBI টিম নেমে পড়েছে রাজীব কুমারকে খুঁজে বের করার জন্য। কিছুদিন আগে যেভাবে পি চিদাম্বরমকে বের করেছিল ঠিক সেইভাবে এখন রাজীব কুমারের খোঁজ চলছে।  

Friday, September 27, 2019

যারা ভগত সিং এর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিল তারা কারা ছিল এবং পরে তাদের কি হয়েছিল।



সরদার ভগত সিং।  ভারতমাতার সেই সাহসী পুত্র যিনি যুদ্ধের পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং ইংরেজদের দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য চরকা চালানোর পরিবর্তে হাসি হাসি ফাসির ফাঁদে চুমু খেয়েছিলেন। সেই অমর বলিদানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দাতাদের আপনি কি জানেন? ভগত সিংয়ের বিরুদ্ধে যারা সাক্ষ্য দিয়েছিল তাদের কি হয়েছিল জানেন? বেশিরভাগ লোকেরা হয়ত এ সম্পর্কে জানেন না, তবে আপনি যখন এটি জানবেন তখন আপনার শিখা জ্বলে উঠবে।

 ভগত সিংয়ের বিরুদ্ধে যখন দিল্লির একটি ব্রিটিশ আদালতে একটি সমাবেশে বোমা নিক্ষেপের অভিযোগ করা হয়েছিল। তখন শোভা সিং এবং  অন্যটি শাদি লাল ভগত সিং এবং বাতুকেশ্বর দত্তের বিরুদ্ধে  সাক্ষ্য দিয়েছিল। শুনে আপনি অবাক হয়ে যাবেন যে শোভা ও শাদী লাল দেশ থেকে এই বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তির জন্য পুরষ্কার পেয়েছিলেন। উভয়কেই স্যারের উপাধি দেওয়া হয় এবং  অন্যান্য ধরণের সুবিধাও পেয়েছিলেন।



 দিল্লিতে শোভা সিংহ অগাধ সম্পদ এবং কোটি কোটি টাকার সরকারি নির্মাণ কাজের চুক্তি পেয়েছিলেন। আজ দিল্লির কানাট প্লেসে অবস্থিত স্যার শোভা সিং স্কুলে কাতারের পরে কাতার লাইন দিয়েও শিশুরা ভর্তি হতে় পারে না। একই সময়ে, শাদি লালকে বাগপাটের নিকটে প্রচুর সম্পত্তি দেওয়া হয়েছিল।



আজও শাদী লালের বংশধরদের একটি চিনির কল এবং শ্যামলীতে বেশ কয়েকটি মদের কারখানা রয়েছে। শাদি লাল এবং শোভা সিং আগেও দেশের মানুষের চোখে ঘৃণীত ছিলেন এবং আজও রয়েছেন।  শাদি লালের  লোকেরা গ্রামবাসীদের  দ্বারা তুচ্ছ হয়েছিল এবং তার মৃত্যুর পরে কোনও দোকানদার তাঁর দোকান থেকে তাকে কাফনের কাপড়ও দেয়নি। শাদী লাল ছেলেরা তাঁর শ্মশানের সময় দিল্লি থেকে কাফান কিনেছিল। তবে শোভা সিং এই ক্ষেত্রে ভাগ্যবান। তিনি এবং তাঁর বাবা সুজন সিংহ রাজধানী দিল্লিসহ দেশের অনেক জায়গায় হাজার হাজার একর জমি পেয়েছিলেন এবং প্রচুর অর্থও পেয়েছিলেন।

 পাঞ্জাবের সুজন সিংহের গ্রাম এবং দিল্লির সুজন সিং পার্কের নামও তাঁর নামে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে শোভার পুত্র খুশবন্ত সিং সাংবাদিক হিসাবে শৌখিন হয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেছিলেন এবং বড় বড় সেলিব্রিটিদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন শুরু করেছিলেন। এর বাইরে শোভা সিংহের নামে একটি দাতব্য ট্রাস্টও অবস্থিত। দিল্লির কানাট প্লেসের কাছে বড়খম্বা রোডের মডার্ন স্কুল নামে পরিচিত স্কুলটি শোভা সিংয়ের জমিতে নির্মিত এবং শোভা সিং স্কুল নামেও পরিচিত ছিল। একই সময়ে, খুশবন্ত সিং তার পরিচিতিগুলি ব্যবহার করে তার পিতাকে দেশপ্রেমিক এবং দূরদর্শী নির্মাতা হিসাবে প্রমাণ করার জন্য তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন।  

হিন্দু মেয়েদের ইসলাম কবুল করানো আমার একমাত্র মিশন বললেন এই মৌলবী।




পাকিস্তানে হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরকরণ তথা জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নিত্য ঘটনা। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে হিন্দু মেয়েদের অপহরণ করা হয় এবং বলপূর্বক  ধর্মান্তর করানোর পর তাদের মুসলিমদের সাথে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। ১১থেকে ১৬ বছর বয়সী হিন্দু মেয়েরা এটির সবথেকে বেশি শিকার হয়। ইতিমধ্যে সিন্ধু প্রদেশের এক মৌলবী হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরিত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন এবং এ নিয়ে বড় বক্তব্য দিয়েছেন।

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, মৌলভী আবদুল খালিক স্বীকার করেছেন যে তিনি হিন্দু মেয়েদেরকে মুসলমান বানানোর একটি মিশন চালাচ্ছেন। হিন্দু মেয়েদের ইসলাম কবুল করানো আমার মিশন: ইমরান খানের ঘনিষ্ট মৌলবী। পকিস্তানে হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরকরণ তথা জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নিত্য ঘটনা। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে হিন্দু মেয়েদের অপহরণ করা হয় এবং বলপূর্বক ধর্মান্তর করানোর পর তাদের মুসলিমদের সাথে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। ১১থেকে ১৬ বছর বয়সী হিন্দু মেয়েরা এটির সবথেকে বেশি শিকার হয়।



ইতিমধ্যে সিন্ধু প্রদেশের এক মৌলবী হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরিত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন এবং এ নিয়ে বড় বক্তব্য দিয়েছেন। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, মৌলভী আবদুল খালিক স্বীকার করেছেন যে তিনি হিন্দু মেয়েদেরকে মুসলমান বানানোর একটি মিশন চালাচ্ছেন। মৌলবী আবদুল বলেন যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই কাজটি করে চলেছেন এবং আগামী দিনেও এই কাজটি চালিয়ে যাবেন। তিনি আরও জানান যে তার ৯জন সন্তান রয়েছে এবং তারা প্রত্যেকে ধর্ম পরিবর্তনের এই মিশনকে অনুসরণ করে কাজ করবে। মৌলবী বলেন যেমন আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের অনুসরণ করে এই কাজ করছি, আমার পরবর্তী প্রজন্মও সেই কাজ করবে। এ ছাড়া মৌলভী আবদুল খালিক মিথা আরও বলেন যে তিনি দরগায় হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরের ব্যবস্থা করেছেন।



প্রতিবেদন অনুসারে, ধর্ম রূপান্তরের বৃহত্তম আড্ডা হলো ধরকি শহরের ভরচণ্ডি দরগাহ এই প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের খুবই ঘনিষ্ট আবদুল খালিক মিথা চালান। সূত্র অনুসারে জানা গেছে যে, গত নয় বছরে এই দরগায় ৪৫০ টি হিন্দু মেয়ের ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। মৌলভী আবদুল খালিক মিথা জানান যে মেয়েদের তাদের বাড়ি থেকে দরগায় আনতে তিনি কোনও দল প্রেরণ করেন না, মেয়েরা স্বইচ্ছায় আসেন বলে তার দাবি। আর এই কারণেই আমি তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করি।

আমার পূর্বপুরুষরা হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করে ইসলামের সেবা করেছেন আর আমিও এই মিশনে আছি। যদিও সব ক্ষেত্রে হিন্দু মেয়েদের অপহরণ এর ঘটনা সামনে এসেছে। সাথেই, মৌলভী হিন্দুস্তানি মেয়েকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ৭৮ বছর বয়সী মেথা জানান যে তাঁর স্ত্রী মারা গেছেন, তাই তাঁর অনুগামীরা চান যে তিনি যাতে আরও একটি বিয়ে করেন এবং বিয়েটা যেন হিন্দুস্তানী মেয়ের সাথে হয়। পাকিস্তানকে অমুসলিম মুক্ত করার একটা বড়ো দায়িত্ব আবদুল খালিক এর ওপরে রয়েছে। আর আব্দুল খালিক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর খুবই ঘনিষ্ঠ তাই প্রশাসনিক মামলা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

Thursday, September 26, 2019

ভারতের এন আর সি নিয়েও মাথাব্যথা পাকিস্তানের। এন আর সি নিয়ে উস্কানিমূলক টুইট ইমরানের।



ফের ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে নাক গলালেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আজ অসমে প্রকাশিত হয় নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা। সেখানে নাম নেই ১৯ লক্ষের বেশি মানুষের। তবে, তাঁদের এখনই ‘বিদেশি’ ঘোষণা করা হচ্ছে না। নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য সরকারের তরফে সব রকমের সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।



এনআরসি নিয়ে আজ উস্কানিমূলক টুইট করেন ইমরান খান। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের অভিযোগ, ভারত এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে খবর আসছে মোদী সরকার কীভাবে মুসলিম সম্প্রদায়কে জাতিগতভাবে নিমূল করতে চাইছে। ফের আন্তজার্তিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন ইমরান। গোটা বিশ্বের কাছে অশনি সংকেতের ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে। মুসলিমদের লক্ষ্য করেই কাশ্মীরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার।



 উল্লেখ্য, কাশ্মীর নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তান দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করলেও কোনও ফল হয়নি। ইসলামাবাদের অনুরোধেই নজিরবিহীনভাবে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয় রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে। কিন্তু চিন ছাড়া সে ভাবে কাউকে পাশে পায়নি পাকিস্তান। রাশিয়া, ব্রিটেন, আমেরিকা এবং ফ্রান্স স্পষ্টতই জানিয়েছে, কাশ্মীর সমস্যা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়।



এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে রাজি নয় তারা। কূটনৈতিকভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে পাকিস্তান। এরপর যেনতেন প্রকারে কাশ্মীরে হিংসার বাতাবরণ তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছে ইমরানের প্রশাসন। আজকের এই টুইট আরও একবার তা প্রমাণ করল। 

Wednesday, September 25, 2019

আমেরিকাতেও মোদিকে ঘিরে প্রবাসী ভারতীয়দের শ্লোগান রাম লাল্লা হাম আয়েঙ্গে মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে।



আমেরিকার হিউস্টন শহরে হাউডি মোদী (Howdy Modi) অনুষ্ঠানেও রাম মন্দির এর আওয়াজ উঠলো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া মানুষেরা বারবার ‘রাম লালা হাম আয়েঙ্গে, মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে” স্লোগান তুলল। অনুষ্ঠান শুরু হতেই, উপস্থিত মানুষেরা নিজেদের দুই হাত উপরে তুলে রাম মন্দিরের সমর্থনে স্লোগান দিতে থাকেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, অযোধ্যা মামলা এখনো সুপ্রিম কোর্টে চলছে।

 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমেরিকার রাষ্ট্রপতির সাথে হিউস্টনে পৌঁছান। স্টেডিয়ামে প্রথমবার নরেন্দ্র মোদীকে দেখে খুশির জোয়ার বয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মঞ্চে পৌঁছালেই উপস্থিত মানুষেরা দাঁড়িয়ে ওনাকে হাততালি এবং ‘মোদী … মোদী… মোদী” স্লোগান দিয়ে অভ্যর্থনা জানায়। মঞ্চে উঠে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হাত জোড় করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে নমস্কার জানান। সেই সময় মোদী নামে ভরে ওঠে গোটা স্টেডিয়াম।

 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে ৫০,০০০ ভারতীয় আমেরিকান সম্প্রদায়কে উদেশ্য করে ভাষণ দেন। হিউস্টন শহরটির দিকে তাকালে আজ মনে হচ্ছে যেন সেখানে বিশাল কোনো উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। হিউস্টন শহরের সর্বত্র যে দিকে দেখবেন, লোকজন একই দিকে যেতে দেখা যায় এবং এই দিকটি শহরের এনআরজি (NRG) স্টেডিয়ামের দিকে যায়।

 হিউস্টন শহরের রাস্তাগুলি এমন হয়ে উঠেছে যে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সারি জ্যামে পরিণত হয়েছে। তা সত্ত্বেও, মানুষ হাউডি মোদী প্রোগ্রামে অংশ নিতে এতটাই মগ্ন হয়ে পড়ে যে তারা স্টেডিয়াম থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে তাদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে পায়ে হেঁটে যেতে হয়েছিল। আমেরিকার কোনও শহরে সম্ভবত এটিই প্রথম হবে, যখন এত বড় আমেরিকান জনগোষ্ঠী কোনও শহরে একত্রিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই যে আজকের রাতেই হিউস্টনের  শুরু হতে চলেছে ভারতীয়দের সবচেয়ে বড় শো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও আজকের এই অনুষ্ঠানের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন।  

শিক্ষাবিদ হলেও মেরুদণ্ড হীন, যাদবপুরের উপাচার্যকে চূড়ান্ত আপমান বাবুলের।



 বিতর্কে যেন আর ইতি পড়ছে না। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাবুল সুপ্রিয়কে নিগ্রহের সপ্তাহ ঘুরতে চললেও রেশ রয়েই গেছে। কলকাতায় একপ্রস্ত মিটিং, মিছিল, বিক্ষোভ, কটাক্ষ, পালটা কটাক্ষ হয়ে গিয়েছে। এবার নিজের লোকসভা কেন্দ্র আসানসোলে গিয়েও এনিয়ে ক্ষোভ উগরে দিতে ছাড়েননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। যাদবপুরের উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকে রীতিমতো ‘মেরুদণ্ডহীন’ বলে কটাক্ষ করলেন তিনি। যা নিয়ে আবার নতুন করে বিতর্ক উসকে উঠল।



 মঙ্গলবার রাতে আসানসোল পৌঁছানোমাত্রই বাবুল সুপ্রিয়কে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। একের পর এক প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। যাদবপুরের ঘটনায় তাঁকে খুব নির্দিষ্ট করেই প্রশ্ন করা হয় যে, সেদিন গন্ডগোলের পর উপাচার্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। রাজ্যপাল যখন তাঁকে দেখতে যান, তখন হাসপাতালের বিছানা ছেড়ে উঠতে না পারলেও, পরবর্তী সময়ে শিক্ষামন্ত্রীকে দেখে উঠে বসেন উপাচার্য। এনিয়ে বাবুলের কী বক্তব্য? এই প্রশ্ন শুনেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উত্তর দেন, ‘উনি রাজ্যের একটি রাজনৈতিক দল দ্বারা পরিচালিত উপাচার্য। তাই হুজুরকে দেখে উঠে দাঁড়িয়েছেন।



তিনি খুব শিক্ষিত হলেও মেরুদণ্ড একেবারেই শূন্য। আত্মসম্মান নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে উনি যথাযথ ব্যক্তি নন।’ এপ্রসঙ্গে বাবুল আরও বলেন, ”আমি তো আগেই ওনাকে বলেছিলাম, ‘পার্থবাবু বিশ্ববিদ্যালয়ে এলে তো আপনি গেটে দাঁড়িয়ে থাকেন। তো আমার সময়ে এমন অবস্থা কেন?’ উনি আমাকে জানাতে পারতেন যে ক্যাম্পাসে এমন ধুন্ধুমার হলেও, তিনি পুলিশ ডেকে পরিস্থিতি সামাল দেবেন না। আমি তো ওখানে রাজনীত করতে যাইনি।”



 গত বৃহস্পতিবার এবিভিপির একটি অনুষ্ঠানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে চূড়ান্ত হেনস্তার মুখে পড়েন বাবুল সুপ্রিয়। একদল পড়ুয়া তাঁকে গেটেই আটকে দেয়। তা নিয়ে বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। সমস্যা গড়ায় রাজভবন পর্যন্ত। রাজ্যপাল পৌঁছে যান ক্যাম্পাসে। উপাচার্য সুরঞ্জন দাস অসুস্থ হয়ে ভরতি ছিলেন হাসপাতালে। এনিয়ে পরবর্তী সময়ে এসএফআই-এবিভিপির মিছিল, পালটা মিছিলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। আসানসোলও এর বাইরে রইল না। বিশেষত তা যখন বাবুল সুপ্রিয়রই নির্বাচনী কেন্দ্র। সেখানে গিয়েই যাদবপুরের উপাচার্যের বিরুদ্ধে একেবারে সুর চড়ালেন তিনি। যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল।

Tuesday, September 24, 2019

পাকিস্তান ও চিনের সম্পত্তি বিক্রি করার জন্য মোদিসরকার বানাল মাস্টারপ্ল্যান। ১ লক্ষ্য কোটি টাকা লাভ হবে দেশের।



দেশ ভাগের পর পাকিস্তান আর ১৯৬২ এর পর চিনে চলে যাওয়া মানুষের ভারতে থাকা সম্পত্তি বেচার জন্য কেন্দ্রের মোদী সরকার জবরদস্ত পরিকল্পনা নিয়েছে। কেন্দ্র সরকার এবার এই শত্রু সম্পত্তি বেচার জন্য রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট (REIT) এর সহযোগিতা নিতে চলেছে। পিটিআই এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, অর্থ মন্ত্রক এবার এই পরিকল্পনায় কাজ শুরু করেছে। REIT রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগের একটি মাধ্যম। ভারতীয় সিকিউরিটিজ এবং বিনিময় বোর্ড (SEBI) এটিকে নিয়ন্ত্রণ করে। REIT মডেল অনুযায়ী সম্পত্তি একটি ট্রাস্টের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর সংস্থা গুলো এই ট্রাস্টে বিনিয়োগ করে।



এক আধিকারিক সূত্র অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক সরকারী কোম্পানির প্রধান ব্যাবসা থেকে আলাদা সম্পত্তি আর শত্রু সম্পত্তি বিক্রয় এবং লিজে দেওয়ার জন্য পরামর্শ চালাচ্ছে। REIT আর SEBI এই নিয়ে ২০১৪ সালে একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল। কিন্তু এখনো পর্যন্ত এই সেক্টরের কাজে গতি আনা সম্ভব হয়নি।



আধিকারিক এর অনুযায়ী, বিক্রয় করা শত্রু সম্পত্তি গুলোকে কাস্টোডিয়ান অফ এনিমি প্রপার্টি ফর ইন্ডিয়া অথবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চিহ্নিত করবে। এই সমন্ধ্যে রাজ্য সরকার এবং অন্য পক্ষ গুলোর সাথে কথাবার্তা বলা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক অনুযায়ী, দেশে মত ১ লক্ষ কোটি টাকার শত্রু সম্পত্তি আছে। তাছাড়াও তিন হাজার কোটি টাকার শত্রু শেয়ারও আছে। এই সম্পত্তিতে সবথেকে বেশি ৪৯৯১ উত্তর প্রদেশ, ২৭৩৫ পশ্চিমবঙ্গ এবং ৪৮৭ টি সম্পত্তি দিল্লীতে আছে।



 তাছাড়াও ভারত ছেড়ে চিনে যাওয়া ৫৭ সম্পত্তি মেঘালয়ে, ২৯ পশ্চিমবঙ্গে, আর ৭ টি আসামে আছে। কেন্দ্র সরকার অনেক বছর ধরেই এই সম্পত্তি গুলোকে বিক্রি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। দেশ ভাগের সময় পাকিস্তানে এবং ১৯৬২ এর যুদ্ধের সময় চিনে চলে যাওয়া মানুষদের সম্পত্তিকে শত্রু সম্পত্তি বলা হয়। ১৯৬৮ সালে সংসদে শত্রু সম্পত্তি অধিনিয়ম প্রস্তাব পাস করার পর, এই সম্পত্তি গুলো ভারত সরকারের অধীনে চলে যায়। তখন থেকেই এই সম্পত্তি গুলোর রক্ষণাবেক্ষণ এর দ্বায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের হাতে।



দেশের অনেক রাজ্যেই শত্রু সম্পত্তি আছে। বহু বছর ধরে অনেক সংগঠনই এই সম্পত্তি গুলোকে সার্বজনীন স্তরে ব্যাবহার করার দাবি তুলছে। কেন্দ্র সরকার এখন এই শত্রু সম্পত্তি গুলোকে সার্বজনীন স্তরে ব্যাবহার করার অনুমতি দিয়েছে। ২০১৭ সালে মোদী সরকার শত্রু সম্পত্তির অধিনিয়মে বদল এনে, ওই সম্পত্তি গুলোর উপর থেকে শত্রুদের অধিকার খতম করে দেয়।  

বুদ্ধিজীবিরা বলেন সন্ত্রাস বাদের কোন ধর্ম হয় না। কিন্তু ট্রাম্প বললেন আমরা ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লাড়াই করব।




HOWDI MODI অনুষ্ঠানের উপর বিশ্বের নজর ছিল দৃঢ়। আর সেই অনুষ্ঠান থেকেই ইসলামিক আতঙ্কবাদের উপর কড়া ভাষায় আক্রমন করেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাধারণত নেতা মন্ত্রীরা ভোট ব্যাঙ্কের জন্য ইসলামিক আতঙ্কবাদ শব্দের ব্যাবহার করে না। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প HOWDI MODI অনুষ্ঠান থেকে ইসলামিক আতঙ্কবাদ ও পাকিস্তানকে বড়ো হুমকি দেন। ট্রাম্প সরাসরি ইসলামিক আতঙ্কবাদ শব্দের উল্লেখ করেন। এত বড়ো মঞ্চ থেকে ইসলামিক আতঙ্কবাদ শব্দের উল্লেখ করতে ট্রাম্প একবারের জন্যও পিছু হাঁটেননি।



 উনি সোজা ভাষায় ইসলামিক আতঙ্কবাদের প্রসঙ্গ তুলে সুরক্ষার কথা বলেন। ট্রাম্প বলেছেন যে আমরা নিরীহ মানুষকে উগ্র ইসলামীক আতঙ্কবাদ থেকে রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ট্রাম্প যখন এটি বলেছিলেন, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদী সহ স্টেডিয়ামে উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে করতালি দেন। সাধারণত বুদ্ধিজীবীরা দাবি করে যে আতঙ্কবাদের কোনো ধর্ম হয় না। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভাষণের মাধ্যমে বুদ্ধিজীবীদের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছেন।



ট্রাম্প একেবারে স্পষ্ট শব্দে ইসলামিক আতঙ্কবাদের সাথে লড়াই করার কথা বলেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন আমি ভারতের সাথে মিলে ইসলামিক আতঙ্কবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করবো। তিনি বলেছিলেন যে উভয় দেশই একসঙ্গে লড়াই করবে। ট্রাম্প তার বক্তব্যে সীমান্ত সুরক্ষার কথাও উল্লেখ করেছিলেন।ট্রাম্প বলেছিলেন যে আমাদের সীমান্ত রক্ষা করা আমাদের দুজনের পক্ষে অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য আমরা দুজনেই একসাথে পদক্ষেপ নেব। ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে পাকিস্তানের অনুপ্রবেশের চেষ্টার প্রতিক্রিয়া হিসাবে দেখা হচ্ছে।


 ট্রাম্প বলেন, “দুই দেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করছে।” আমরা দুজনই উগ্র ইসলামী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করবো। ভারতের নেতারাও আতঙ্কবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন। কিন্তু স্পষ্ট ইসলামিক আতঙ্কবাদ শব্দের ব্যাবহার করতে পিছু হাটে। কারণ ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ভারতে ভণ্ডামি একটু অতি মাত্রায় হয়। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বড়ো মঞ্চ থেকে বিশ্বকে একটা বড়ো বার্তা দিয়েছেন। আগামী দিনে এর উপর চর্চা যে আরো তীব্র হবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।      

Monday, September 23, 2019

পাকিস্তানের স্থায়ী চিকিৎসা করবে ভারত। পাকিস্তানকে চার টুকরো করার জন্য কাজ শুরু করল মোদি সরকার।



কিছু বছর দেশে রক্ষামন্ত্রী একে.এন্তোনি বলেছিলেন- সেনার জন্য নতুন অস্ত্র কেনার যাবে না, কারণ অর্থ নেই। সৈনিকদের কাছে যা আছে সেটা দিয়েই কাজ চালাতে হবে। সেটা ছিল কংগ্রেস আমল। এখন সময় বদলে গেছে। মোদী যুগে সরকার সুরক্ষা বাজেট কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আজকের দিনে বিশ্বের সবথেকে ভয়ঙ্কর অস্ত্র হলো পারমাণবিক বোমা। আর যদি এই পারমাণবিক বোমা সাবমেরিনের মধ্যে থাকে তাহলে তো শত্রুর অবস্থা আরো খারাপ হবে। কারণ সাবমেরিন জলের নিচে থাকে।

 জলের নীচে থাকায় সাবমেরিন চট করে দেখা সম্ভব হয় না, তাই পারমাণবিক বোমা সম্পন্ন সাবমেরিন শত্রুর বিরুদ্ধে সবথেকে ভয়ঙ্কর অস্ত্র। পুলবামা হামলার পর মোদী পাকিস্থানের শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ করে দিয়েছিল। আর এক্ষেত্রে সবথেকে বেশি যোগদান ভারতীয় এয়ার ফোর্সের নয়, বরং নৌসেনার ছিল। পুলবামা পর থেকে ভারত যুদ্ধ জাহাজগুলিকে পাকিস্থানের দিকে আরব সাগরের এলাকায় নিযুক্ত করে দিয়েছিল। যার জন্য পাকিস্থান সম্পূর্ণ চাপে ছিল, পাকিস্থানের বাণিজ্য শহর করাচি প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছিল। সন্ধ্যের পর থেকে করাচিতে ব্ল্যাক আউট জারি হয়ে যেত শুধুমাত্র ভারতীয় নৌসেনার ভয়েতে। এবার মোদী সরকার পাকিস্থানের দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসা করার নির্ণয় করে ফেলেছে

। যখন পাকিস্থানকে ভেঙে বাংলাদেশ করা হয়েছিল তখনও ভারত প্রায় দেড় বছর আগে থেকে পাকিস্থানের উপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করেছিল। এখন মোদী এসেও সেই কাজ করে দিয়েছে, এবার শুধুমাত্র সবকিছুর সুবন্দোবস্ত করা বাকি। বর্তমানে ভারতের কাছে ২ টি পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে। যেগুলির হিন্দ মহাসাগর ও বে অফ বেঙ্গল নিযুক্ত রয়েছে। চীনের অতিক্রম আটকানোর জন্য এই দুই পারমানবিক সাবমেরিন ব্যাবহার করা হয়। এবার ভারত রাশিয়া থেকে অকুলা ক্লাসের ৩য় পারমাণবিক সাবমেরিন কিনছে যা পাকিস্থানের টুকরো করার লক্ষে ব্যাবহৃত করা হবে।

সরকার পুরো যোজনা করে নিয়েছে এবং যোজনা দীর্ঘস্থায়ীভাবে সম্পন্ন করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই সাবমেরিনের জন্য ভারত সরকার রুশের সাথে ৩.৩ বিলিয়ন আমেরিকান ডলারের চুক্তি করেছে। মোদী সরকার পারমাণবিক বোমা সম্পন্ন এই সাবমেরিন পাকিস্থানের করাচি বন্দর থেকে কিছু দূরেই নিযুক্ত করে দেবে। সরকার বিনা রক্তপাতে জিহাদী দেশ পাকিস্থানের স্থায়ী চিকিৎসা কররা পরিকল্পনা করেছে যার কাজ শীঘ্রই চালু হবে।  

Sunday, September 22, 2019

কাস্মীরি পন্ডিতদের রক্ষা করছেন আপনি মোদির হাতে চুমু খেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ প্রবাসী ভারতীয়ের।



জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকেই দেশব্যাপী মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বেশিরভাগের মুখে এই বিষয়ে কেন্দ্রের প্রশংসা শোনা গেলেও উলটো সুর গাইছেন অনেকে। পাকিস্তানের তরফে বিশ্বব্যাপী ভারতের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার চেষ্টাও হয়েছে। এর জন্য বিভিন্ন জায়গায় তারা যে ডসিয়ের দিয়েছে তাতে ভারতের কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার মন্তব্যকেও হাতিয়ার করা হয়েছে।

এরই মাঝে শনিবার আমেরিকার হিউস্টনে পৌঁছে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেখানে গিয়ে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন প্রবাসী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের থেকে। ৭০ বছর ধরে চলা নিয়মকে একলহমায় বাতিল করার জন্য সাধুবাদ পেলেন।  রবিবার সকালে আমেরিকায় বসবাসকারী কাশ্মীর পণ্ডিতদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। সৌজন্য বিনিময় ফাঁকে তাঁর হাতে চুমু খেয়ে ৩৭০ ধারা বাতিলের জন্য মোদিকে ধন্যবাদ জানান সুরিন্দর কল নামে কাশ্মীরি পণ্ডিত।


বলেন, ‘সাত লক্ষ কাশ্মীরির পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।’ এরপর কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিভিন্ন আলোচনা করার ফাঁকে সবার সঙ্গে ‘নমস্তে শারদে দেবী’ শ্লোক পাঠও করেন নরেন্দ্র মোদি। প্রতিনিধি দলের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন। এখন আসুন নতুন কাশ্মীর তৈরি করি।’ এ প্রসঙ্গে ওই প্রবাসী কাশ্মীরি সুরিন্দর কল বলেন, ‘ঐতিহাসিক ওই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা সাত লক্ষ কাশ্মীরির পক্ষ থেকে ওঁনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।

পাশাপাশি বলেছি যে কাশ্মীরকে শান্তিপ্রিয় ও উন্নয়নমুখী করে তোলার জন্য আমাদের সম্প্রদায় সরকারকে সবরকম সাহায্য করবে। উনি আমাদের বলেন, ‘আপনারা অনেক আত্মত্যাগ করেছেন। তবে আর তা করতে হবে না। আসুন সবাই মিলে নতুন কাশ্মীর গড়ে তুলি।’ আমাদের যুব প্রতিনিধিরা এই বলে প্রতিশ্রুতি দেন যে আমরা সবাই তাঁর স্বপ্ন পূরণ করার জন্য তৈরি আছি। আমরা এই বিষয়ে তাঁকে একটি স্মারকলিপিও জমা দিয়েছি।

 তিনি তা সাদরে গ্রহণ করেছেন।’ শনিবার আমেরিকায় এসে রবিবারের সকালের মধ্যেই প্রবাসী ভারতীয়দের বিভিন্ন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের মধ্যে কাশ্মীরি পণ্ডিতরা যেমন ছিলেন তেমনি ছিলেন শিখ সম্প্রদায় ও বোহরা সম্প্রদায়ের মানুষরাও। সবাই নরেন্দ্র মোদিকে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার জন্য অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে স্মারকলিপিও জমা দেন।  

Friday, September 20, 2019

বাবুলের সাথে যা হয়েছে ঠিক হয়েছে সুজন তারপর সুজনকে ধুয়ে দিলেন তথাগত।




 কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে ‘নিগ্রহ’, প্রতিবাদে ভাঙচুর, আগুন, চে-র ছবিতে কালি-বেনজির ‘সন্ত্রাস’-এর সাক্ষী হয়ে থাকল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। গতকালের এই ঘটনায় এখন তপ্ত বঙ্গের রাজনীতি। তারইমধ্যে বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী ও মেঘালয়ের রাজ্যপাল তথাগত রায়ের টুইট যুদ্ধ যেন অনুঘটকের কাজ করল।

 বৃহস্পতিবার ঘটনার পরই টুইট করেন সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “বাবুল সুপ্রিয়র ঔদ্ধত্য স্পষ্ট দেখা গিয়েছে।” তাঁর কটাক্ষ, বাবুল জানেন না কীভাবে ব্যবহার করতে হয়! কীভাবে উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলতে হয়! পরিকল্পিতভাবে উস্কানিমূলক পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন তিনি। এই টুইটের পরই পাল্টা টুইট করেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল তথা প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথাগত রায়। সুজনের টুইটের পাল্টা তিনি বলেন, “আপনি অর্ধেক সত্য মানুষের কাছে পরিবেশন করতে চাইছেন। জাতিয়তাবাদবিরোধী একদলকে ধোয়া তুলসিপাতা হিসাবে প্রমাণ করতে চাইছেন। আমি গোটা ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমে দেখেছি। এখনকার দিনে সত্যিটা লুকিয়ে রাখা বড্ড কঠিন।” তবে শুধু এই একটি টুইটই করেননি তথাগত রায়।



এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীদের ‘মাওবাদী’ অ্যাখ্যা দিয়েও একটি টুইট করেছেন তিনি। বলেছেন, “যেভাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে কোনও প্ররোচনা, উস্কানি ছাড়াই একদল মাওবাদী হেনস্থা করল, তা দেখে আমি লজ্জিত। আমি কোনওদিনই ফ্যাসিবাদ আর উগ্র বামপন্থা আন্দোলনের মধ্যে কোনও পার্থক্য খুঁজে পাইনি। যেন একই কেকের দুই পিঠ!''

 প্রসঙ্গত, অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে যেভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদ্যাসাগর কলেজ, যেভাবে বিদ্যাসাগরে মূর্তি ভাঙচুর করেছিল উন্মত্ত দল, তারপরই ফের শিক্ষাঙ্গণে একই ধরনের সন্ত্রাসের সাক্ষী থাকল যাদবপুর। আর সেই সন্ত্রাস নিয়েই শুক্রবার সকাল থেকে তপ্ত বঙ্গের রাজনীতি।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে যেভাবে আটকে রাখা হল, যেভাবে ‘আক্রমণাত্মক’ বিক্ষোভ দেখানো হল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নিন্দার ঝড় উঠেছে সব মহলে। তবে তার প্রতিবাদে যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভাঙচুর চলল, গোটা ক্যাম্পাস দাপাল একটা দল, তারও ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না বিশ্লেষকরা।  

Thursday, September 19, 2019

মোদি সরকারের নতুন যোজনা পোস্ট ব্যাঙ্কের এই স্কিমে টাকা রাখলেই সহজে ডবোল হবে আপনার টাকা।



মোদি সরকার সম্প্রতি ছোট সেভিংস যোজনার ইন্টারেস্ট কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে । এর জেরে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে পোস্ট অফিসের গ্যারেন্টেড রিটার্ন স্কিমে কম সুদ মিলবে । পাশাপাশি সেপ্টম্বর ত্রৈমাসিকে কিষাণ বিকাশ পত্রে সুদের হার মোদি সরকার কমিয়ে ৭.৬ শতাংশ করেছে । সাধআরণ মানুষের কাছে এই স্কিমটি অত্যন্ত জনপ্রিয় । আপনার নিকটবর্তী পোস্ট অফিস থেকে আপনি কিষাণ বিকাশ পত্র কিনতে পারবেন ।



 মাত্র ১০০০ টাকা দিয়ে শুরু করতে পারবেন এই স্কিম । অর্থ মন্ত্রালয়ের তরফে জারি নোটিফিকেশনে জানানো হয়েছে যে কিষাণ বিকাশ পত্রে ৯ বছর ৫ মাসের (১১৩ মাস) জন্য টাকা জমা রাখলে সেটি দ্বিগুণ হয়ে যাবে । এর আগে ৯ বছর ৪ মাস অথার্ত্‍ ১১২ মাসে টাকা দ্বিগুণ হয়ে যেত । সুদে হার কমিয়ে ৭.৬ শতাংশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার । প্রত্যেক তিন মাসে সুদের হার বদলাতে থাকে সরকার । কিষাণ বিকাশ পত্র প্রমান পত্র হিসেবে দেখা হয় ।



 যে কোনও পোস্ট অফিস থেকে আপনি এটা কিনতে পারবেন । প্রমাণ পত্র হিসেবে এটি জারি করা হয় । এর উপর সরকারের তরফে নির্দিষ্ট সুদ দেওয়া হয় । ন্যূনতম ১০০০ টাকা দিয়ে শুরু করতে হয় । তবে এখানে ইনভেস্ট করার কোনও উর্ধ্বসীমা নেই । তবে টাকা তুলতে চাইলে আপনাকে ১১৩ মাসের জন্য অপেক্ষা করতে হবে । এই সরকারি স্কিমে নমিনিশনের সুবিধা রয়েছে ।



 একজন থেকে অন্য জন্যের নামে এই সার্টিফিকেট ট্রান্সফার করা যেতে পারে । এমনকি এক পোস্ট অফিস থেকে অন্য পোস্ট অফিসেও টাকা ট্রান্সফার করা যেতে পারে । দেশের বেশ কিছু পোস্ট অফিসে অনলাইনে কিষাণ বিকাশ পত্র কেনা যেতে পারে । এখানে আপনি ট্যাক্স বেনিফিটও পাবেন ।

Tuesday, September 17, 2019

এইবার পিছিয়ে পড়বে চিনও ভারতে তৈরী হচ্ছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় এয়ারপোর্ট।



ফের কেন্দ্রীয় সরকারের হাত ধরে ভারত আরেক ধাপ এগিয়ে গেল আন্তর্জাতিক মহলে। জেবার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বিমানবন্দর হতে চলেছে এবং দেশের মধ্যে সবথেকে বৃহত্তম বিমানবন্দর হবে এটি। দিল্লি বিমানবন্দরটির আয়তন এই বিমান বন্দরের অর্ধেক হবে। আধুনিক সুবিধায় সজ্জিত এই বিমানবন্দরটিতে বিমানের পার্কিং করার জায়গা প্রচুর থাকবে।



 এক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ চীন ভারতের ধারে- কাছে পৌঁছাতে পারবে না। যদিও সৌদি আরব এবং আমেরিকার দুটি বিমানবন্দরে পরে এই বিমান বন্দরের স্থান রয়েছে। এখনো পর্যন্ত সবথেকে বৃহত্তম এবং সবথেকে সেরা বিমানবন্দর এই দুটি দেশে রয়েছে।



 IGI এর পরে দিল্লি এনসিআর-এর জেভার অঞ্চলের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।‌ এটি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জেবার বিমানবন্দর টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম বিমানবন্দর হিসেবে খ্যাতি লাভ করবে। জায়গার দিক থেকে বিচার করলে ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দর জেবার বিমানবন্দর থেকে অনেকটা পেছনে থাকবে।



IGI বিমানবন্দরের আয়তন 2066 হেক্টর, নাভি মুম্বাইতে নির্মিত হতে যাওয়া বিমানবন্দরটি ও আয়তন হবে 2320 অ্যাক্টর অপরদিকে জেবার বিমানবন্দরটির আয়তন হতে চলেছে 5 হাজার হেক্টর। প্রায় 20 কোটি যাত্রী 2050 সালের মধ্যে এই বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে। এই দিক থেকেও বিচার করলে জেবার বিমানবন্দরটি IGI বিমানবন্দরটিকে ছাড়িয়ে যাবে।



 বর্তমানে IGI বিমানবন্দর থেকে প্রায় 6 কোটি মানুষ বিমান দিয়ে যাতায়াত করে। 2022 থেকে 2023 এরমধ্যে IGI বিমানবন্দরে যাতায়াতের সংখ্যা 10 কোটি হয়ে যাওয়ার অনুমান করা হচ্ছে। অনুমান করা হচ্ছে জেবা বিমান বন্দর থেকে বিমান সংস্থাগুলি পরিচালনা 2022 থেকে 2024 সালের মধ্যে শুরু হয়ে যাবে।প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে এই বিমানবন্দর থেকে 8 কোটি মানুষ যাতায়াত করতে পারবে। বছরের পর বছর এই বিমানবন্দরে যাত্রী সংখ্যা বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে। IGI বিমানবন্দরে ধারণ ক্ষমতা শেষ হওয়ার পর থেকেই এই নতুন বিমানবন্দরটিতে যাত্রী সংখ্যা বাড়তে থাকবে।

Monday, September 16, 2019

মোদির জন্মদিনে বাংলার এই মন্দিরে এসে পূজ দিলেন যশোদা বেন।



  মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ  কালই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন। আর সেই উপলক্ষে সোমবার স্বামীর মঙ্গল কামনায় আসানসোলের কল্যানেশ্বরী মন্দিরে পুজো দিয়ে গেলেন নরেন্দ্র মোদির স্ত্রী যশোদা বেন। সোমবার বেলা ১২ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তিনি কল্যানেশ্বরী মন্দিরে ঢুকে পুজো দেন। মা কল্যানেশ্বরী মন্দির ও কল্যানেশ্বরী মন্দির সংলগ্ন শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে রওনা দেন ধানবাদের উদ্দেশে।

কড়া পুলিশি প্রহরায় তিনি এদিন মন্দিরে আসেন। এসিপি পশ্চিম শান্তব্রত চন্দ, সালানপুর-কুলটি এই দুই থানার ওসি,  চৌরঙ্গি  কল্যানেশ্বরী দুই ফাঁড়ির আইসি ও ধানবাদ ডিসি বিজয় কুমার-সহ নিরষা থানার ওসি ও মাইথন থানার আইসি পুলিশ আধিকারিকরা ছিলেন যোশাদা বেনের সঙ্গে।


তবে উল্লেখযোগ্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির স্ত্রী’র আসার খবর কিন্তু বিজেপি নেতৃত্বের কাছে এদিন ছিল না। কল্যানেশ্বরী মন্দিরে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া না দিলেও এদিন ধানবাদের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিশু শিক্ষার ওপর জোর দেন তিনি। সুন্দর সমাজ গড়তে প্রতিটি শিশুই যেন শিক্ষা পায় সেই আবেদনও রাখেন। 



সোমবার কল্যানেশ্বরী মন্দির চত্বরে রাজেশ প্রসাদ নুনিয়ার দোকান থেকে ২০১ টাকার পুজো সামগ্রী নিয়ে যশোদা বেন ঢুকে পড়েন মন্দিরে। মন্দিরের ভিতর পুরোহিত শুভঙ্কর দেওঘরিয়া ও বিল্টু মুখোপাধ্যায় তাঁকে পুজো করান।  ১০১ টাকা দক্ষিণা দিয়ে যশোদা বেন মন্দির চত্বরে শিব মন্দিরে জল ঢালেন ও সোজা গাড়িতে উঠে বসেন। কড়া পুলিশি প্রহরায় কোনও মিডিয়া পার্সেনকে তাঁর কাছাকাছি ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি এদিন। যশোদা বেনের সঙ্গে এদিন ছিলেন তাঁর ভাই অশোক মোদি ও ব্যক্তিগত সচিব অনুজ শর্মা।



তবে কল্যানেশ্বরী মন্দির আসার আগে তিনি ধানবাদের বিটাহী রামরাজ মন্দিরে পুজো দিয়ে আসেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন  স্থানীয় বিধায়ক টুল্লু মাহাতো ও স্ত্রী সাবিত্রীদেবী। মন্দিরে ঢোকার আগে স্থানীয়রা নরেন্দ্র মোদির জয়ধ্বনি দেন। শুধু তাই নয়, যশোদা বেন ‘স্বাগত ছে’ আওয়াজও তোলেন। এদিন মন্দিরে পুজো দেওয়ার সময় তাঁর চোখেমুখে ছিল হাসিখুশি ভাব। মন্দিরে রাম সীতার পুজো দেন, আরতিও করেন।

 কল্যানেশ্বরীর পুরোহিত বিল্টু মুখোপাধ্যায় বলেন পুজোর সময় শিহরণ অনুভব করছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীকে আমি পুজো করাচ্ছি এই ভেবে। তিনি আরও জানান, অনেক ভিআইপিকে আমি মন্দিরে পুজো করিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্যের স্ত্রীকেও আমি পুজো করিয়েছি। এছাড়া রাজ্যের মন্ত্রী বা কেন্দ্রের মন্ত্রীরাও আসেন। স্বামীর মঙ্গল কামনায় তিনি পুজো দিয়েছেন। রবিবার সকালে হাওড়া-যোধপুর ট্রেনে করে তিনি ধানবাদে আসেন  অখিল ভারতীয় সাহু বৈশ্য মহাসভার অনুষ্ঠানে। ধানবাদের হীরাপুর লেন্ডিং ক্লাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।



তাদের তরফ থেকে পড়ুয়াদের কৃতী সম্মান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মূল অতিথি ছিলেন যশোদা বেন। তিনি গুজরাটি ভাষায় বলেন, “ঝাড়খন্ডের নাম শুনলেই ভয়ংকর একটা জায়গা মনে হত। কিন্তু এখানে এসে বুঝলাম আমার ধারণা ভুল। এখানকার লোক একেবারেই সেরকম নন। এখানে আসার পর মনে হয়েছে ধানবাদের লোক মনের দিক দিয়ে অনেক ধনবান।”