Sunday, November 3, 2019

আর্বান নক্সাল মাওবাদী ও জামাত পন্থীদের নতুন ঠিকানা বাংলাপক্ষ।



বাংলাপক্ষ এই বাংলাপক্ষ কতটা বাংলাবাদী বা কতটা বাঙালিদের জন্য আবেগপ্রবণ বা কতটা বাঙালিদের তা সামান্যতম বুদ্ধিমান লোকেরা বুঝে গেছেন। বাঙালিয়ানাকে সামনে রেখে শুধু হিন্দু বিদ্ধেষে পরিপূর্ণ। বাঙালিয়ানার সামান্য আবেগ টুকুও নেই। মুখে যতই বিহারি মারোয়ারী করুক রাগ আসল জায়গায় হিন্দু সংস্কৃতির উপরেই।

এই সংগঠনের কর্নধার গর্গ চ্যাটার্জি না বোধহয় ভুল হয়ে গেল তিনি আবার চট্টপাধ্যায় মানে বাঙাল, জ্যতি বসু ও কবির সুমনের। একনিষ্ঠ ভক্ত। তিনি রামায়ণ ও মহাভারত নিয়ে মহায়ণ বানিয়েছেন যেখানে তিনি তার বাবা মার কাছে পাওয়া শিক্ষার খুব ভালোই ব্যাবহার করছেন। এই মহায়ণে তিনি প্রতিটি ভগবানকে অতিব কুরুচিকর ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। তিনি ধর্ম মানুন বা না মানুন সেটা তার ব্যেক্তিগত ব্যাপার কিন্তু অন্য মানুষের আবেগে এই ভাবে আঘাত করা। কিন্তু ইসলাম ধর্মের প্রতি তিনি খুব উদার তিনি সব প্রায় সময়ই মাওলানাদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের আর্শীবাদ প্রাপ্ত হন।

 তিনি অবাঙালিদের সহ্য করতে পারেন না তাই তাদের ছট পূজতে তার প্রবল কিন্তু লাল দাড়িওয়ালা অবাঙালি পাঠানদের মহরমের তাজিয়াতে তার কোন আপত্তি নেই। কোলকাতায় প্রতিনিয়ত এই এই এক শ্রেনীর অবাঙালী মুসলমানদের জন্য কোলকাতার নিত্য যাত্রীদের জীবন নাজেহাল। মল্লিকপুর থেকে মেটিয়াবুরুজের লোক জনের জীবন যাত্রা নিয়ে তাদের কোন মন্তব্য নেই।

 এখন বামপন্থীদের পালে হাওয়া নেই তাই এখন অতিবামপন্থী সংগঠনের মাওবাদী ও নক্সল গুল তাদের রক্ত পিপাসা মেটানোর জন্য ও বিপ্লব জিবীত রাখতে এখন এই পথ বেছে নিয়েছে। এই কাজে খুব খুশি বাংলাদের জামাত পন্থীরা। বাংলাপক্ষের এন আর সি বিরোধিতায় তারা খুব খুশি এতে তাদের গ্রেটার বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে তারা। এ যেন সেই স্বাধীনতার আগেকার ইতিহাস মনে করিয়ে দেয় যখন শরত বসু, হেমেন রায়রা মহম্মদ আলি জিন্ন ও সরাবোর্দির তালে তাল মিলিয়ে বলেছিল বৃহৎ বাংলা চাই। সুমন চট্টপাধ্যায় কবির সুমন, গর্গ চট্টপাধ্যায় কবে কবির গর্গ হয় দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

1 comment:

  1. ভারতবর্ষের কাছে আর্বান নক্সাল ও একপেশে সেকুলার বুদ্ধিজীবীরা সবচেয়ে বিপদের

    ReplyDelete